১৭তম সংখ্যা , জুলাই ২০১৯
৭০ দশকের শেষ বছর। আমি ঢাকা আর্ট কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। এক বিকেলে কলেজের গেইট লাগোয়া বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা ছোটোখাটো একজন মানুষের সঙ্গে পরিচয়। ঘাড়ে ঝোলানো ব্যাগ খুলে বই খুঁজে আমার হাতে দেওয়ার সময়ে ভদ্রলোককে দেখছিলাম, উসকোখুশকো মাথার চুল, গোঁফ আছে, ক্লিন শেভড্,
প্রিয় সম্পাদক, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি আস্থা রেখে যে লেখাটা আমার কাছে চেয়েছিলেন, সেটা লেখার সামর্থ্য আমার আসলে নেই। বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা পথিকৃৎ মুহম্মদ খসরুর মতো এতো বড়ো মানুষকে নিয়ে লিখবার যোগ্য লেখক আসলে আমি নই। তারপরও
মুহম্মদ খসরুর মৃত্যুসংবাদ ও একটি ‘প্রাগৈতিহাসিক’ পর্যালোচনা
খুব কষ্ট হয় এই ভেবে যে, ৭০ বছরের জীবনে মুহম্মদ খসরু কেনো জানি তার পরিচয়টাই আমাদের কাছে প্রতিষ্ঠা করে যেতে পারলেন না! অদ্ভুতভাবে কেউ তাকে ‘চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব’, কেউ ‘চলচ্চিত্রের মানুষ’, কেউ ‘চলচ্চিত্র আন্দোলনের প্রাণপুরুষ’, কেউ ‘সুস্থধারার চলচ্চিত্র আন্দোলনের
ইতিহাসের সময় পেরিয়ে সেলুলয়েডে সমকালীনকে ধরার চেষ্টা
আমজাদ হোসেন পাঠ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর জীবনমঞ্চ ত্যাগ করেন চলচ্চিত্রনির্মাতা আমজাদ হোসেন। তার চলে যাওয়ার আগে-পরে তাকে নিয়ে নানা মাত্রায় নানা দিকে আলাপ-আলোচনা হয়েছে দেশীয় গণমাধ্যমে। সেই আলোচনা যতোটা তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে, ততোটা মোটেও কর্ম অর্থাৎ চলচ্চিত্র
ক্যামেরা সুরের জাদুকর আনোয়ার হোসেন
কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তার একটি কবিতায় বলেছিলেন, ‘জোটে যদি মোটে একটি পয়সা খাদ্য কিনিয়ো ক্ষুধার লাগি/ দুটি যদি জোটে অর্ধেকে তার ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী!’ কিন্তু বাস্তবতা বলে, কপালে যে কয়টি পয়সাই জুটুক না কেনো, আগে খেয়ে-পরে জান বাঁচানো প্রয়োজন। বাদবাকি পরে দেখা যাবে।
আমার ভুবন : সম্পর্ক সৌন্দর্যের নিম্নবর্গীয় আখ্যান
যেখানে সত্য-বাস্তব এবং চলচ্চিত্র একাকার গল্পটা সত্য। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার রাজাবাড়ি গ্রামে বাড়ি হাকিমের। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে হাকিমের বড়ো কেবল লালু। ছুতু মিয়ার এই চার ছেলের সুনাম ছিলো এলাকায়। সমবয়সি অন্য ছেলেদের একটা অংশ যখন বিড়ি ফুঁকাতো আর জুয়া খেলতো, মাস্তানি
দীপুর ‘কেচ্ছা’ ও মৃণালের ভাবনা
ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ২০ শতকের অন্যতম গুণী নির্মাতা হিসেবে বিবেচিত মৃণাল সেন। তার কথা শুনলেই নীল আকাশের নীচে (১৯৫৮), বাইশে শ্রাবণ (১৯৫৮), ভুবন সোম (১৯৬৯) কিংবা কলকাতা ট্রিলজি ইন্টারভিউ (১৯৭১), কলকাতা ৭১ (১৯৭২) ও পদাতিক (১৯৭৩)-এর মতো চলচ্চিত্রগুলোর কথা মনে
পৃথিবীর জিম্মায় রইল তাঁর জীবিত সময়
বিষ্ণু দে-র অনুবাদ করা রুশ ভাষার নাটক ‘সমুদ্রের মৌন’ নিয়ে কথার সূত্রে মৃণাল সেন চলে যাচ্ছেন কমিউনিজ্ম, পরমতসহিষ্ণুতা, গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা এসব প্রসঙ্গে। আমার সঙ্গে তাঁর কখনও দেখা হয়নি, কথা হয়নি। কিন্তু সাবলীলভাবে কথা বলে যাচ্ছেন তিনি। কথার শুরুর
বেরনার্দো : বিশ্বজনীন ও মানবিকতায় ভরপুর এক স্বপ্নবান স্রষ্টা
গৌরচন্দ্রিকা একেকজন মায়েস্ত্রো যখন বিদায় নেয়, তখন এক চরম শূন্যতা ও হতাশা বোধে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। ৭০-এর দশকের শেষ দিকে আমরা যখন চলচ্চিত্র সংসদ চর্চায় যুক্ত হই, তখন বিশ্বচলচ্চিত্রের ভরভরন্ত অবস্থা। বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র মায়েস্ত্রোরা দাপটে কাজ করে চলেছে। কার কাজ ছেড়ে
ভিডিওর উৎপাত আর কৌতূহলী মানবজন, নেপথ্যচারী রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণমাধ্যম
‘ভিজ্যুয়াল কালচার’-এ মোড়া যুগটা যখন শুধুই ‘আমি’র এই মুহূর্তে চারপাশে একটা দেখাদেখির সময় চলছে। কেউ একজন হয়তো কিছু একটা দেখাচ্ছে, তো অনেকে সেটা দেখছে। কিন্তু কী দেখানো সেটা মুখ্য নয়। কিছু একটা দেখতে পারাটাই মুখ্য। এলিজাবেথীয় যুগের সেই ‘রিডিং কমিউনিটি’ যখন আজ প্রায়
দৃশ্যগত মাধ্যমের দুঃসহ ব্যবহার
ভারত, গান্ধী ও সত্য সত্য খেলা ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর গান্ধী ভারতজুড়ে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিলো ভারতবাসীকে বৃটিশ পণ্য, বিশেষ করে কাপড় ব্যবহার থেকে বিরত রাখা, দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করা, সরকারি চাকরিজীবীদের
প্রযুক্তি, পুঁজির টানে ব্যর্থ মনোরথ
প্রতীকি ছবি স্মৃতি, সময় ও ইতিহাস চলচ্চিত্রের জন্ম মাত্র একশো বছরের কিছু সময় আগে। লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের হাত ধরে চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু করলেও সেই সময়ে মানুষের কাছে সেটা শুধু যন্ত্র সৃষ্ট ম্যাজিকই ছিলো। কিন্তু এই ম্যাজিক পরবর্তী সময়ে নানা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে
ভৌতিক চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থাপন
ভৌতিক চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থাপন, ছবি: এআই হরর বা ভৌতিক চলচ্চিত্রে কীভাবে নারীর উপস্থাপন করা হয় এ বিষয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছি। চলচ্চিত্রে সাধারণত নারীকে দুর্বল, সহজসরল ও ক্ষমতাহীন হিসেবে উপস্থাপন করা হয় (তবে কিছু ব্যতিক্রমও আছে)। একই সঙ্গে চরম দুর্দশার
হারিয়ে যাওয়া তারকার খোঁজে; সন্ধান নেই মায়া হাজারিকার
২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২১ জুলাই। রাজধানীর ভাটারা থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের হিমাগারে ১৩ দিন পড়ে থাকার পরও তাদের কোনো পরিচয় মেলে না। পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু তাদের
প্রসঙ্গ প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ; তত্ত্ব এবং বাস্তবতার ফারাক
সিনেমা নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হবে। যতোদিন যাচ্ছে ততোই প্রযুক্তির বদৌলতে সিনেমা--তা আপনি কাহিনিচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র বা বিজ্ঞাপন যাই বলুন না কেনো--নিঃসন্দেহে এক গুরুত্বপূর্ণ দিকে বাঁক নিচ্ছে। স্পিলবার্গ থেকে কিম কি দুক, নির্মাণশৈলীর যতোই পার্থক্য থাক, প্রযুক্তির
প্রথম কবিতা লিখেছিলাম একটি মেয়েকে উদ্দেশ করে। আমার বয়স তখন ১৪’র কম। কিন্তু কথা হচ্ছে, হঠাৎ আমি কবিতা লিখতে শুরু করলাম কেনো? আমাদের পরিবারে এমনকি বংশেও কেউ কবি, সাহিত্যিক ছিলেন না। তবে আমার দাদা প্রচুর পড়তেন, বই সংগ্রহেও রাখতেন। সেসব অবশ্য ভিন্ন গল্প। কিন্তু আমি
স্বপ্নজাল : মানুষে মানুষে প্রেম, না ধর্মের জয়গান!
ভূমিকা আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বিশ্ব তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে। নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান বিশ্বের পিছনে ফিরে তাকানোর ফুরসত নেই। অবশ্য প্রযুক্তির এ বাতাস উন্নয়নশীলদের চেয়ে উন্নতদের গায়েই লেগেছে বেশি। প্রযুক্তি ব্যবহারের শীর্ষ বিন্দুতে এসেও
দেবী : চলচ্চিত্রিক বিভ্রম তৈরির ব্যর্থ চেষ্টা
বিভ্রমের নাম চলচ্চিত্র ঢাকা শহরের কথাই বলি। যানজটের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে স্থবির এই শহরে জীবনযাত্রা কিন্তু অনেক গতিশীল। তারপরও এই ব্যস্ত শহরের মানুষেরা চলচ্চিত্র দেখে; বিনোদনহীন শহরে হাঁপ ছেড়ে বাঁচতে চায়। কিন্তু মানুষ আসলে চলচ্চিত্র দেখে কেনো? এই প্রশ্নের উত্তর বিভিন্ন
‘দেবীর আবির্ভাব’ মাধ্যম হিসেবে চলচ্চিত্র অত্যন্ত শক্তিশালী। এবং শ্রেণি-পেশা-বয়স-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বৃহত্তর পরিসরের সবার কাছে, প্রযুক্তির বদৌলতে একদম ঘরের ভিতরে পৌঁছানোর এর চেয়ে কার্যকরী মাধ্যম আর একটিও নেই। তাইতো যুগের পর যুগ দেশে দেশে বই-পুস্তকের
‘দেবীর আবির্ভাব’ মাধ্যম হিসেবে চলচ্চিত্র অত্যন্ত শক্তিশালী। এবং শ্রেণি-পেশা-বয়স-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বৃহত্তর পরিসরের সবার কাছে, প্রযুক্তির বদৌলতে একদম ঘরের ভিতরে পৌঁছানোর এর চেয়ে কার্যকরী মাধ্যম আর একটিও নেই। তাইতো যুগের পর যুগ দেশে দেশে বই-পুস্তকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রও
ক্ষমতা লিপ্সা আর আমিত্বের মন্ত্র নিয়ে ‘উধাও’
আমিত্বের শুরু যেখানে পুঁজিবাদ আর বর্তমানের ভার্চুয়াল জগৎ মানুষকে ‘আমি’তে বন্দি করে ফেলেছে। আজকের দিনে মানুষে মানুষে পারস্পরিক বোঝাপড়া প্রায় শূন্যের কোঠায়। ব্যক্তি-মানুষ ‘আমরা’, ‘আমাদের’ শব্দগুলো থেকে প্রতিনিয়ত বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব
সম্প্রীতির ভারত নাকি বৈচিত্র্যে ফাটল; কী দেখাতে চায় 'সোহরা ব্রিজ'
চলচ্চিত্রই যেখানে কবিতা প্রয়াত চলচ্চিত্রনির্মাতা বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় আলবেনিয়ান কবি ইসমেইল কাদেরির কবিতার একটি উদ্ধৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বানিয়ে ফেললেন একটি সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র সোহরা ব্রিজ ।১ চলচ্চিত্রটির শুরুও হয় সেই উদ্ধৃতির মাধ্যমে--'The memory of
কণ্টকাকীর্ণ বাস্তবতায় আশা জাগানিয়া ইঙ্গিত
‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ চলচ্চিত্র উদ্ভাবনের প্রায় একশো ৩০ বছরে দাঁড়িয়ে নানা কারণে প্রেক্ষাগৃহ থাকবে কি থাকবে না, এ নিয়ে সারাবিশ্বেই প্রশ্ন উঠছে। যদিও চলচ্চিত্রের টিকে থাকা, আধিপত্য ও এর জনপ্রিয়তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। বরং চলচ্চিত্রে প্রতিনিয়ত নানা প্রযুক্তি
এই সময়ের আখ্যান চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ঠিক এ সময়টায় দাঁড়িয়ে সমাজ রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। পরিবর্তন আসছে সমাজের স্তর ও ব্যবস্থাতেও। ‘উন্নত’ জীবনযাপনের জন্য মানুষ এখন শহরমুখী। অনেক আগ থেকেই যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে রূপ নিচ্ছে একক
মিশরের ভিতর-বাইরের বাস্তবতার পাঠ ‘ক্ল্যাশ’
প্রায় পাঁচশো কোটি বছর হলো পৃথিবীর বয়স। এ পর্যন্ত অসংখ্য মানুষ এখানে এসেছে আবার চলেও গেছে। আসার একেবারে শুরুর দিকে মানুষের মধ্যে এতো বিভাজন ছিলো না। সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে তৈরি হতে থাকে ভিন্ন মত, আচার-আচরণ ও জীবনযাত্রায় বৈচিত্র্য। উদ্ভব ঘটে নানা জাতি, গোষ্ঠী ও
‘লিটল টেরোরিস্ট’ : মানবিকতার আড়ালে যুদ্ধ জিইয়ে রাখা
মানবজাতির জীবন পরিক্রমায় একসময় শোষণমুক্ত বা সাম্যবাদী সমাজ ছিলো। তখনো হিংসা মানুষকে আক্রান্ত করেনি। পরে পুঁজি সঞ্চয়ের সম্ভাবনা দেখা দিলে কিছু সংখ্যক মানুষের কাছে সমস্ত সম্পদ গচ্ছিত হতে থাকলো। শ্রেণিভিত্তিক সমাজ দেখা দিলো এবং সঞ্চিত পুঁজি রক্ষার জন্য দেখা
'মান্টো’র নগ্নতা ও বিভাজনের বিবসন
বোল কে লাব আযাদ হে তেরে বোল জুবা আব তাক তেরি হ্যায়, তেরা সুতওয়া জিসম হে তেরা- বোল কে জাঁ আব তাক তেরি হ্যায়।। দেখকে আহাংগারকি দুকা মে তুন্ডহে সোলে সুরখ হ্যায় আহান, খুলনে লাগে কুফলোকে দাহানে, ফাইলা হার ইক জাঞ্জির কা দামান। বোল, ইয়ে থোড়া ওয়াক্ত বহত হ্যায়, জিসম-জুবা
‘মান্টো’ : কেবল মান্টোকে নয় একটা সময়কেও দেখা
Here lies Sadat Hasan Manto and with him lie buried all the secrets and mysteries of the art of short-story writing. যে মানুষটি সম্বন্ধে আজ আমি লিখতে চলেছি তা আমার মতো মানুষের জন্য এক প্রকার ধৃষ্টতা। তাকে নিয়ে আমি সর্বোচ্চ আমার অনুভূতি জানাতে পারি, এর বেশি নয়। প্রথমেই আমার স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে, মান্টোকে নিয়ে লেখার যোগ্য
‘কমলা রকেট’ : সেলুলয়েডে বর্তমান ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ
অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে বা কীরূপ শক্তিশালী হবে, সেটা আপাতত অনুমান-সম্ভাবনার মধ্যে রেখে অন্তত এ কথা অকপটে স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে, বাংলাদেশ ভয়ঙ্কর এক সাংঘর্ষিক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এক পক্ষের কেবলই উন্নয়ন আর বিমোচনের
দেশভাগের অন্য একটা দিক দেখার, বোঝার চেষ্টা করা দরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, বিকেল পাঁচটা ১২৩, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর এই আয়োজন ‘ম্যাজিক লণ্ঠন বাতচিত’। এখানে ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর আয়োজনে একজন নির্মাতা তার চলচ্চিত্র নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হন। চলচ্চিত্র
অভিনয় জীবন : ভুল করতে করতে শেখা, আবার নতুন ভুল করা
ম্যাজিক লণ্ঠন কথামালা ৮ ১২৩, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২৫ এপ্রিল ২০১৯ প্রথম পর্ব. সঞ্চালক : শুভ বিকেল। আজ ২৫ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ। ১৪২৬ বঙ্গাব্দের ১২ বৈশাখ। উপস্থিত সবাইকে ফুলেল শুভেচ্ছা। ‘ম্যাজিক লণ্ঠন কথামালা' সঞ্চালনায়
একজন পরিচালক খুব ভালো প্রযোজক হতে পারে
প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে একেবারে ভিন্ন ধাঁচের চলচ্চিত্র নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে হাজির হয়েছিলেন বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়।সম্প্রদান (১৯৯৯) থেকে সোহরা ব্রিজ (২০১৬) পর্যন্ত তার প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রই বিষয়বস্তুর দিক থেকে অনন্য ছিলো। সংখ্যা বিবেচনায় তার চলচ্চিত্র
চোখ বুজলেই মনে হয় দৌড়ে দৌড়ে আমি তারেককে খুঁজছি
ম্যাজিক স্মৃতিশেষ পর্ব. তারেকের বিয়েটা আরেক ঘটনা। তারেকের মতো ক্যাথরিনও বিভিন্ন দেশে ঘুরেছে। নানা বিষয় নিয়ে কাজ করতো ক্যাথরিন। একপর্যায়ে বাংলাদেশে কাজ করতে আসলে আহমদ ছফা একদিন ক্যাথরিনের সঙ্গে তারেকের পরিচয় করিয়ে দেন। তখন ক্যাথরিনেরও একজন গাইডের দরকার
'ব্যক্তির মত অনেক সময় বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য'
চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক পথচলা লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের হাত ধরে শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে যে ইতিহাসের জন্ম হয়েছিলো, তা পরম্পরায় এক মহাসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দের ৭ জুলাই লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে যে ইতিহাস রচনা
'কোনো কিছু আবিষ্কার করতে চাইলে প্রথমে সিনেমাটোগ্রাফারের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরি করতে হবে'
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হেরে জার্মানি তখন দুই ভাগে বিভক্ত। পশ্চিম জার্মানি আমেরিকার ছায়ায়, আর পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্রের ছোঁয়া। দুই জার্মানির মাঝখানে দৃশ্যতই নির্মাণ হয় প্রাচীর। সেই প্রাচীর শুধু জার্মানির মানুষকেই বিভক্ত করেনি, ভাগ করে দেশটির এতো দিনের
নির্মাতা গুইসেপে ও দেশে দেশে হাজারো মানুষের স্মৃতির প্রেক্ষাগৃহ
বিশ্ব হারিয়েছে এক ‘আজব ঘর’ নানা দেশের মানুষকে চেনা-পড়ার নানা মাধ্যম রয়েছে। এই মাধ্যমগুলোতে উঠে আসে তাদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, আবেগ, ভালোবাসা। মাধ্যমগুলোর অন্যতম চলচ্চিত্র। সারাবিশ্বেই একসময় মানুষ প্রেক্ষাগৃহে একত্র হতো চলচ্চিত্র দেখাকে কেন্দ্র করে।
বিবেককে পীড়ন করবে মনোজগতে অস্বস্তি জাগাবে
দেড়শো পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু পাঁচ পৃষ্ঠায় বোঝানো সত্যি কষ্টকর। কারণ লেখকের চিন্তা আর মহাপরিশ্রমের ফসল এক একটা লেখা; অথচ পাঠকের অনেক কিছু বোঝা হয়ে ওঠে না, তারপরও লেখকের মগজে থাকা ভাবনাগুলো খোঁজার ক্ষুদ্র প্রয়াস চালানো হয়। আজকাল মানুষ এতো ব্যস্ত যে, নিজের সঙ্গেই বোঝাপড়ার