১৬তম সংখ্যা , জানুয়ারি ২০১৯
পর্দার বাইরেও অভিনয়ই করেছিলেন শ্রীদেবী
জীবনের চোরাগলি ধরে ‘কেন জানি না এক অদ্ভুত একটা অস্বস্তি হচ্ছে’১¾২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টায় এমনটাই টুইট করেন ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্বচলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী অভিনয়শিল্পী অমিতাভ বচ্চন। তার ঠিক কিছু সময় পরই খবর আসে বলিউডের
পরিবর্তনের ঢেউ নাকি আধুনিকতার মুখোশ
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি একের চোখে ‘অপর’ মধ্যপ্রাচ্য, সৌদি আরব¾এই শব্দগুলো শুনলে চোখের সামনে, মাথার মধ্যে কিছু ধারণা আর ইমেজ ভেসে ওঠে। যেগুলো বিচিত্র গণমাধ্যমের বদৌলতে আমাদের মাথায় ঢুকে সৌদি আরবের একটা পরিচয় সৃষ্টি করেছে¾মক্কা-মদিনা, হজ, রাজতন্ত্র, স্বর্ণের
প্রযুক্তির জয়রথে তটস্থ বিশ্বচলচ্চিত্র
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি রুচি, অরুচি কিংবা পরিস্থিতির ‘অজুহাত’ সময়ের এ মহাসমুদ্রে নির্দিষ্ট রুচি-অরুচি নিয়ে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকা ভীষণ মুশকিল। ভালো বা মন্দ বলে কোনো বিষয়ে নিজেকে প্রতিক্রিয়াশীল বা প্রগতিশীল ভেবে সারাজীবন চালিয়ে যাওয়াটাও প্রায় অসম্ভব।
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি কখনো কখনো এক অদ্ভুত ধাঁধার মধ্যে ঘুরপাক খাই; বুঝে উঠতে পারি না; এতো বছর ধরে এতো এতো তথ্যচিত্র-প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছি বটে; কিন্তু কোনোটাই কি ঠিকঠাক সিনেমা হয়ে উঠতে পেরেছে! আসলে বলতে চাচ্ছি, সবসময় কি ব্যাকরণ মেনে কাজ করতে পেরেছি? কলকাতায়
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছব ভূমিকা চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক যোগাযোগ মাধ্যম। এই মাধ্যমটি আমাদের ইন্দ্রিয়গত বোধ, চৈতন্য, চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণের ওপর জোরালোভাবে ক্রিয়া করে১; দর্শকের জীবনবোধ, দর্শন, অনুভূতি ও আবেগকে স্পর্শ করে বহুমাত্রিক উপায়ে। কেননা
মোহভঙ্গের পরে এখনো স্বপ্ন দেখে তারা
অনলাইন থেকে নেয়া কাকলি সিনেমা হল ভাঙার ছবি একেবারে শুরুর কথা সেদিন ফেইসবুকে লগ ইন করেই নিউজ ফিডের একেবারে শুরুর দিকেই চোখে পড়ে প্রতিবেদনটি¾ ‘ভেঙে ফেলা হলো শেরপুরের কাকলি সিনেমা হল’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবেদনটি ঠিক কে শেয়ার দিয়েছিলো মনে নেই। তবে ২০১৮
নারীর হাত ধরে রাষ্ট্র দর্শনের ইতিহাস
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি শিল্পে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি কোনো জাতি বা রাষ্ট্রের চরিত্র প্রতিফলিত হয় তার শিল্প-সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে। এসবের মাধ্যমেই উঠে আসে কোনো রাষ্ট্রের মানুষের জীবনাচরণ, রাজনীতিসহ আরো নানা দিক। তাই এই শিল্প নিয়েই বিশ্বব্যাপী চলে যতো
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি টিকে থাকার রাজনীতির মারপ্যাঁচ সমুদ্র ঘেরা দেশ কিউবা। যা সবার কাছে কুখ্যাত, ক্যাসিনো আর জুয়ার দেশ হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা একে প্রমোদের কেন্দ্র মনে করে। তারাই এদেশকে আখ্যা দিয়েছে
‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো/ চাঁদ বুঝি তা জানে’¾তালাত মাহমুদের কণ্ঠের এই গান বাংলা চলচ্চিত্রের সেরা রোমান্টিক গানগুলোর অন্যতম। গানটি রাজধানীর বুকে চলচ্চিত্রের; মুক্তি পায় ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে, নির্মাতা এহতেশাম। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন রহমান, শবনম, সুভাস
এবারের ঈদুল আজহা’র ছুটিটা ২০ দিনের মতো ছিলো। তাই রাজশাহী থেকে ঠাকুরগাঁও যাওয়ার সময় ছোট্ট অথচ কঠিন একটা কাজ সঙ্গে করে নিয়ে যাই। কঠিন বলছি এ কারণে যে, আগে এ ধরনের কাজ আমি করিনি। কাজ বলতে, গ্রামে আমাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে প্রবীণ কারো সঙ্গে খানিক সময় গল্প করা¾তাদের অতীত,
পর্ব ৬) নোয়ার ও জনরা ১৯৪০-এর দশকে হলিউড চিত্রজগতে দুটি নতুন শব্দের আবির্ভাব ঘটায়। এগুলো হলো ‘জনরা’ (genre) ও ‘নোয়ার’ (noir)। জনরা শব্দটি ব্যবহৃত হয় চলচ্চিত্রের প্রকারভেদ বোঝানোর জন্য। অন্যদিকে, নোয়ার বিশেষভাবে অপরাধমূলক চলচ্চিত্র বোঝাতেই ব্যবহার করা হয়। অভিধানের ভাষায়, Crime fiction
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ের কোনো একদিন, আমাদের জেলা শহর ফরিদপুরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এসেছিলেন মহা আড়ম্বরে। অনেক পরে বুঝতে পেরেছিলাম, সেটি ছিলো সিরাজউদ্দৌলার আবরণে শক্তিমান অভিনয়শিল্পী আনোয়ার হোসেনের আগমনের কথা। নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিশাল
গল্পটা কেবলই সুতপার, সব নারীর নয়
দেখা এবং চিন্তা মানবসত্তার লিঙ্গীয় বিভাজনের রূপ দুটি¾পুরুষ ও নারী। সমাজ ও রাষ্ট্রকাঠামোতে পুরুষের ধারণা, তারা উপার্জন করবে, রাজনীতি করবে, জ্ঞান/ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। আর নারী কেবলই তাদের মনোরঞ্জন, সেবা, রান্না করবে, সংসার গোছাবে, তাদের যৌনসঙ্গী হবে। নারীর যৌন আচরণও
সমকালীন বাংলাদেশে, দহন-এর পুনর্পাঠ
কেবল সবই ‘উন্নয়ন’ সরকার পরিবর্তন হলে পরিবর্তন হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির। উদ্যাপন ধরনের পরিবর্তন ঘটে দিবসগুলোর। পরিবর্তন হয় স্লোগানের, নাম পরিবর্তিত হয় স্থাপনা থেকে শুরু করে সড়ক, স্কুল-কলেজের; পরিবর্তন ঘটে ‘উন্নয়নের’ ধারার, চেতনার, এমনকি দেশাত্মবোধক
চৌকোবাক্সের অন্ধকারে গজানো এক ঝোপ বিষাক্ত 'ছত্রাক'
আদ্যিকালের করা কবিগানে উক্তি, সুরটুকু নয় এ কালের কথাযুগে ছড়াকাটা-কথকতা, গূঢ়টুকু নয় তবু তার বাড়ে দাম দুধে-ভাতে আচমকা মঙ্গায় গৃহবধূ খড়ি ঠেলে গনগনে উনুনে শঙ্কায় বধূর বিধুর খে’লে ভাতপোড়া গন্ধে, গৃহস্বামী হ’ল যেই ত্যক্ত রাগতাপে টঙ্কার, ক্ষুধাজালা হুঙ্কার কী কঠিন!
গণতন্ত্রের অস্থিমজ্জায় নকশালি, ভূতের ভয় নিউটন
ভারতীয়দের চোখে নিউটন ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে ভারতের নয়া দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হই। নতুন দেশ নতুন মানুষ নিয়ে স্বভাবসুলভ কৌতূহল ছিলোই, পাশাপাশি আগ্রহ ছিলো পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ চলচ্চিত্র
বর্ণাঢ্য এক শিল্পী জীবনের, উদ্দেশ্যমূলক বয়ান
বায়োপিক চলচ্চিত্র সঞ্জু বর্ণাঢ্য এক শিল্পী জীবনের, উদ্দেশ্যমূলক বয়ান একটু ভাবলেই বোঝা যায়, বর্তমান পৃথিবী দম বন্ধ হয়ে আসা এক স্থান ও অনুভূতিতে পরিণত হয়েছে। যেখানে আক্ষরিক অর্থেই পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা চার ডিগ্রি বেড়ে গেছে, ওজন স্তরে এতো বড়ো ছেদ হয়েছে যে তা দিয়ে
শিল্পী ও শিল্প প্রতিটা শিল্প সাধনার ভিন্ন ভিন্ন জগৎ আছে। যারা শব্দ নিয়ে সাধনা করে; তারা প্রতিটি শব্দের মধ্যে, সেই শব্দের আবেগ খুঁজে পায়। রবীন্দ্রনাথেরও শব্দ নিয়ে অদ্ভুত কিছু অনুভূতি আছে। আবার সঙ্গীত সাধকরা প্রকৃতির শব্দের মধ্যে সুর খুঁজে পায়। কথা বলা থেকে
শুরুর কথা শিল্প হিসেবে চলচ্চিত্র সবসময় মানুষের পক্ষে কথা বলবে এটাই প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশা পূরণে চলচ্চিত্র যে সবসময় সফল হয়, এমনটা বলা মুশকিল। কারণ শিল্প ও পুঁজির দ্বন্দ্ব নতুন কোনো বিষয় নয়। তার পরও শিল্প ও শিল্পস্রষ্টার লক্ষ্য থাকে মানবিক হওয়া বা থাকার। বিখ্যাত
‘রীনা ব্রাউন’ : যে জ্বালায় অন্তর জ্বলে
‘কে হায়, হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!’ ¾রূপসী বাংলার জীবনানন্দ দাশ রক্তাক্ত হৃদয় দিয়ে জানতেন, হৃদয় খুঁড়লে ভিতরের রক্তক্ষরণে ভেসে যায় অন্তর্জগৎ। অনুভূতির অব্যক্ত সঙ্কটে মনোদৈহিক পরিবর্তন পরিস্ফুট হয়। শিল্প, সাহিত্য, চলচ্চিত্রে তার নান্দনিক প্রতিচ্ছবি, প্রতিধ্বনি
সীমান্তহীন শরণার্থীর বয়ে চলা জীবনের গল্প
জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো। সকল মাধুরী লুকায়ে যায়, গীতসুধারসে এসো। ... আপনারে যবে করিয়া কৃপণ কোণে পড়ে থাকে দীনহীন মন, দুয়ার খুলিয়া হে উদার নাথ, রাজ-সমারোহে এসো। বাসনা যখন বিপুল ধুলায় অন্ধ করিয়া অবোধে ভুলায় ওহে পবিত্র, ওহে অনিদ্র, রুদ্র আলোকে
দর্শক কী চায় মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আমি তা দেখাবো না, আমি আমারটা দেখাবো
মারুফ হাসান ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর নতুন ধরনের একটি আয়োজন ‘ম্যাজিক লণ্ঠন বাতচিত’। এখানে ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর আয়োজনে একজন নির্মাতা তার চলচ্চিত্র নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হন। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শেষে তিনি বাতচিতে অংশ নেন দর্শকের সঙ্গে। প্রথম আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন
চলচ্চিত্রের ভাষা ও নির্মাণশৈলী
শেষ কিস্তি. দর্শক : বাংলাদেশের বেশিরভাগ সিনেমাই দক্ষিণ ভারতের ফরমেটে তৈরি, কলকাতার ফরমেটে তৈরি। বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো ফরমেট আছে কি না? থাকলে, সেটা নিয়ে বলুন। অমিতাভ রেজা চৌধুরী : বাংলাদেশের সিনেমার কোনো আলাদা জাত নাই। মানে সিনেমার কোনো দেশ নাই। আলাদা কোনো ফরমেট
জীবনের সত্য জীবনসত্য অর্থাৎ জীবনের সত্য। জীবন যাপনের সত্য আমরা যেভাবে বেঁচে আছি তার সত্য। এই সত্যকে বিসর্জন দিয়ে আমরা বাঁচতে পারি না। আমাদের জীবনের সুন্দর দিকগুলো যেমন সত্য, অসুন্দর দিকগুলোও সমান সত্য। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ যেমন পরার্থে প্রাণদান করেন, তেমনি
যে-বছর সত্যজিৎ রায়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা তৈরি হয়েছিলো, সেই ’৬২ সনেরই মাঝামাঝি বোধ করি কলকাতায় দেখানো হয় জংলী। ঘটনাটা মনে করার একটা কারণ আছে। ওই সময়েই লক্ষ করলাম, যারা সত্যজিৎ দেখে তারাওজ্জইয়ানি তাদের অনেকেজ্জশাম্মি কাপুরের ছবিও দেখে এবং তা গোপন করে না। সেবার পূজার সময়ে