১৫তম সংখ্যা , জুলাই ২০১৮
প্রাসঙ্গিক কথন চলচ্চিত্রের অবয়বে সঙ্গীত আলঙ্কারিকভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। সঙ্গীতবিহীন চলচ্চিত্র, চলচ্চিত্রের রসাস্বাদনে শুন্যতায় এক বিরক্তির বহিঃপ্রকাশ। নির্বাক চলচ্চিত্রে যন্ত্রের কট কট ঘট ঘট শব্দ তাগাদা দেয় সঙ্গীতের। যার মাধ্যমে বিরক্তিকর
নিভৃতে থাকা হার না মানা ‘অগ্নিকন্যা’ মালতি দে
ধন্য ধন্য বলি তারে পরিবারের অধিকাংশ সদস্য চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত, এমন ঘটনা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে বেশ বিরল; তাও আবার সেই পরিবারের নেতৃত্ব দিয়েছেন একজন নারী। যিনি সংসার থেকে কর্মক্ষেত্র, সব দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে। এর আগে ঢাকাই চলচ্চিত্রে
দশ দিগন্তের নীলক্ষা আকাশজুড়ে আলো ছড়ানো শশী
আলোয় ভুবন রাঙা হাম জিন্দেগি কো আপনি কাঁহাতক সাম্ভালতে, ইস কিমতি কিতাব কা কাগাজ খারাব থা।১ ৪ ডিসেম্বর,
কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি চাকচিক্যের অন্তরালে নারী তারকার আর্তনাদ
সরষের মধ্যে একই ভূত বর্তমানে মানুষ আর মুখের কথা বিশ্বাস করতে চায় না। সেটার জন্য হাতেনাতে প্রমাণ চায়। প্রমাণ করতে না পারলে উত্থাপিত সেই দাবি সবসময় হয়তো একেবারেই মিথ্যা প্রতিপন্ন হয় না, তবে সেটাকে সত্য বলে ধরা হয় না। অবশ্য সবক্ষেত্রেই যে সেটা ঘটে তেমনটাও নয়। কোনো
বাস্তবতার চিপাগলিতেও হাঁটা শিখতে হবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে
শুরু বিশ্বের প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। সে বিতর্কে না গিয়ে একথা নির্ভেজালভাবে বলা যায়, লুই লাঁ প্রিন্স-এর রাউন্ডলি গার্ডেন সিন কিংবা লুমিয়ের ভাতৃদ্বয়ের ওয়ার্কাস লিভিং দ্য লুমিয়ের ফ্যাক্টরি আক্ষরিক অর্থেই ইতিহাসের প্রথম দিককার চলচ্চিত্র। কিন্তু
পুরানো সেই দিনের কথা : প্রসঙ্গ জামালপুরের প্রেক্ষাগৃহ
শাহ্ জামালের জামালপুর ইয়েমেন থেকে ভারতবর্ষে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু হযরত শাহ্ জামাল (র.)। সেটা ছিলো মোঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল (১৫৪২-১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ)। প্রাচীন বঙ্গের গৌড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী
চলচ্চিত্রের দর্শন বড়ো নাকি দৃশ্য নির্মাণ
বিবিধ ট্যাগের অন্তরালে থাকা ডুব দর্শন ২০১৭-এর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা গোটা বাংলাদেশে ছিলো ডুব-এর পক্ষ-বিপক্ষ সমর্থন ও মন্তব্যের ছুড়াছুড়ি। মুক্তির আগে নানাবিধ আলোচনাসহ ডুব দেখার পর যতো মন্তব্যধর্মী সংক্ষিপ্ত লেখা অর্থাৎ রিভিউ এবং তাত্ত্বিক মূল্যায়ন,
ডুব : বিষাদের জালে ক্যামেরার সুর
সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে ছোট্ট একটি নৌকা। সুবিশাল জলরাশির সামনে নিঃসঙ্গ, একাকী। ঠিক যেনো চলচ্চিত্রটির প্রধান চরিত্রের মতো। জীবন যাকে অনেক কিছু দিয়েছে। সম্পদ, প্রভাব-সবকিছু। কিন্তু তারপরও সে ছিলো শূন্য। তার মনকে বুঝতে পারার মতো মানুষ যেমন সে পায়নি, তেমনই নিজেকে
প্রাসঙ্গিক কথন চলচ্চিত্রের অবয়বে সঙ্গীত আলঙ্কারিকভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। সঙ্গীতবিহীন চলচ্চিত্র, চলচ্চিত্রের রসাস্বাদনে শুন্যতায় এক বিরক্তির বহিঃপ্রকাশ। নির্বাক চলচ্চিত্রে যন্ত্রের কট কট ঘট ঘট শব্দ তাগাদা দেয় সঙ্গীতের। যার মাধ্যমে বিরক্তিকর
শিল্পনির্দেশনা নিয়ে সচেতন কিন্তু অমনোযোগী ফারুকী
শিল্পনির্দেশনার সাতসতেরো দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যম চলচ্চিত্রে ভিজ্যুয়ালাইজেশন বা চিত্ররূপ দেওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আসলে চলচ্চিত্রে চিত্রটাই তো মুখ্য। শুরুর দিকে চলচ্চিত্র যখন নির্বাক ছিলো, তখন গল্প বলা হতো চিত্র দেখিয়েই। পরে সময়ের প্রয়োজনে ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে
সঙ্কট-সম্ভাবনার ভারতীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি
কিছুদিন আগে একটা প্রতিবেদন পড়েছিলাম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’তে, সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতে মাত্র দুই শতাংশ চলচ্চিত্র ব্যবসাসফল। এতো বড়ো ইন্ডাস্ট্রি, যার গ্ল্যামার সব জায়গায়-লোকে ভাবে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি মানে অনেক টাকার ব্যাপার এবং বক্স অফিসের হিসাবে সেই টাকা দেখাও
প্রাযুক্তিক বিলাসিতায় বলিউডের বেরসিক যাত্রা
এমন কোনো ভারতীয় নেই, যাকে চলচ্চিত্রের সর্বাত্মক প্রভাব স্পর্শ করেনি। ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ থেকে গত শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত চলচ্চিত্র ছিলো দেশটির প্রভাবশালী বিনোদনের মাধ্যম। ভারতের মানুষের জীবনধারা, সামাজিক আচরণ এবং সাংস্কৃতিক প্রবণতাগুলো অনেকাংশে চলচ্চিত্র দ্বারা
ভীতি-রোগ ও সমাজ-বাস্তবতা উপলব্ধির এক অনন্য আধেয়
Of all the many wonders, none is more wonderful than man ... who has learnt the arts of speech, of wind-swift thought, and the living in neighbourliness. ¾ Sophocles মানবসত্তার সারবস্তু হলো আবেগ। প্রাণী হিসেবে মানুষ উঁচুমাত্রার ও গভীর আবেগ
মগজ ধোলাইয়ে নিমার্তা সিদ্ধার্থ-এর কারিশমা
বদলে যাওয়া রাষ্ট্রের সুর রাষ্ট্র তার ক্ষমতাকে পোক্ত করার জন্য যুগ যুগ ধরে জনগণকে নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে। সেই নিয়ন্ত্রণ একসময় প্রকাশ্য, নির্মম হলেও সময়ের সঙ্গে তাতে পরির্বতন এসেছে। ফরাসি তাত্ত্বিক মিশেল ফুকো আধুনিক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা-কাঠামো নিয়ে যেমনটা বলেন,
সুসান ব্লক যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসে বসবাসকারী একজন সেক্স থেরাপিস্ট। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এই সেক্স থেরাপিস্ট ‘টেন কমান্ডমেন্টস অব প্লেজার’ বইটির জন্য সমধিক পরিচিত। তিনি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে শো হোস্ট করে থাকেন। তেমনই একটি শো’র অভিজ্ঞতায় তার এই
বিশ্বব্যাপী পর্নোগ্রাফি এক নিদারুণ ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। দিনকে দিন বাড়ছে পর্নোগ্রাফির চাহিদা। এর পিছনে অবশ্য মোটাদাগে কাজ করছে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা। তবে ভোক্তা আর সেই প্রথাগত পর্ন দেখে তৃপ্ত নয়। তারা দেখার সঙ্গে সঙ্গে এতে মিশে যেতে চায়। আর এ চাহিদা পূরণে পর্ন
মুখ ও মুখোশ-এর মুখাবয়ব পেয়ারী কালের দর্পনে ঝাপসা প্রতিবিম্ব
যদি তারে নাই চিনি গো তুমি দেবী তবে পুষ্পার্ঘ্য পাবে না, পাবে খানিক শয্যা-কামনা। তুমি বৃষ্টিস্নাত আকাশের রামধনু তবে সাতরঙা হতে পারবে না, থাকবে ফিকে হয়ে। তোমাকে আরো বলা হবে তুমি হাওয়ার মতোই উদ্দাম, কিন্তু বয়ে যেতে দেয়া হবে না তোমায়। অবশেষে বলা হবে তোমাকে, আরো
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ও যুদ্ধোত্তর চলচ্চিত্র
পর্ব ৫ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়ে হলিউড বিভিন্ন দিক থেকে রূপান্তরের সূচনা করতে বাধ্য হয়। কেউ এই সময়কে সবচেয়ে ভালো আবার কেউ সবচেয়ে খারাপ বলে অভিহিত করে। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ থেকে হলিউড অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করে আসছিলো। ভালো কোম্পানিগুলো ভালো চলচ্চিত্র তৈরির জন্য
বিদ্যুৎকে মানুষ লোহার তার দিয়া বাঁধিয়াছে, কিন্তু কে জানিত মানুষ শব্দকে নিঃশব্দের মধ্যে বাঁধিতে পারিবে। কে জানিত সঙ্গীতকে, হৃদয়ের আশাকে, জাগ্রত আত্মার আনন্দধ্বনিকে, আকাশের দৈববাণীকে সে কাগজে মুড়িয়া রাখিবে। কে জানিত মানুষ অতীতকে বর্তমানে বন্দী করিবে? অতলস্পর্শ
ভুবন মাঝি : এলোমেলো গল্পের নান্দনিক উপস্থাপনায় একপাক্ষিক বন্দনা
পৃথিবীতে বড়ো বড়ো বিপ্লব সংগঠিত হয় সুনির্দিষ্ট দর্শনের ওপর ভর করে। বঞ্চিত, নির্যাতিত জাতিগুলো নিজেদের অস্তিত্বের জানান দেয় স্বাধীনতার মাধ্যমে। তাই শোষক ও শোষিতের দ্বন্দ্ব আবহমানকাল থেকে আজ অবধি অস্থির-সংঘর্ষময় এই বিশ্বে প্রধান সঙ্কট হয়ে চোখ মেলে আছে। ক্ষমতার
কাহিনি, চিত্রনাট্য, দৃশ্যায়ন, বিচিত্র চরিত্রের উপস্থাপন, ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহ ও আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র ও সীমানা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র সমাজ সচেতনতার এক ভিন্ন মাত্রার দাবিদার; প্রথা ও কাঠামো পরিপন্থি। শুধু বিভিন্ন পুরস্কার, জনপ্রিয়তা বা দর্শকপ্রিয়তা
ক্ষমতা ও আধিপত্যের পদতলে বিসর্জন
আমাদের কোন দোষ ছিলনা গো মজিবর চাচা। আমরা যে এমনি-এমনি ভাগ হয়ে গেলাম,১ হাল ছেড়ো না বন্ধু কে দোষী আর কে নির্দোষ-তা মাপার কোনো যন্ত্র পৃথিবীতে নেই। তবে
সতীদাহ প্রথার পোস্ট মেমোরি এবং ঋতুপর্ণের সব চরিত্র কাল্পনিক
ঋতুপর্ণ ঘোষের সব চরিত্র কাল্পনিক নিয়ে লেখার ইচ্ছে অনেকদিনের। চলচ্চিত্রটি ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে মুক্তি পায় এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। আমি দেখেছি, ঋতুর চলচ্চিত্র খুব সচেতনভাবেই ইন্টারটেক্সচুয়াল। যেমন, অন্য কোনো গল্প, গান, কবিতা তার চলচ্চিত্রের মূল
জাতীয়তাবাদের জয়গানে শিল-পাটার কিছু না হলেও মরিচের দফারফা
প্রাসঙ্গিক কথন নির্মাতা মনিরত্নম ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করেন চলচ্চিত্র রোজা। নানা কারণেই রোজা আলোচিত। প্রথমত, রোজার বিষয়বস্তু ভারতের অন্যতম সঙ্কটময় অঞ্চল কাশ্মির এবং এর সঙ্গে মূল ভূখণ্ড ভারতের সম্পর্ক। দ্বিতীয়ত, এই চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত সঙ্গীত; তৃতীয়ত, নির্মাতা
শিল্প আর নৈতিকতা বিচারে রবি বর্মা পাঠ
শিল্পীর শিল্পসত্তা ও শিল্পকলা প্রত্যেক মানুষ দৃশ্য-অদৃশ্য কিছু উপাদানের সমন্বয়ে সৃষ্টি। যদিও দৃশ্যত সব মানুষ দেখতে প্রায় একই রকম। কিন্তু অদৃশ্য যেটুকু তাতেই মানুষের পার্থক্য। আর এই অদৃশ্যের মধ্যেই থাকে ব্যক্তিত্ব। মহাভারতে যাকে বলা হয় তিন গুণ-তম, রজো, সত্ত্ব। তম
মানুষ ধরো, মানুষ ভজো মানুষ এমনই এক সৃষ্টি, যার ক্ষমতা এবং চিন্তার প্রতিফলনে পৃথিবীর বড়ো বড়ো সভ্যতার সৃষ্টি; সময়ের স্রোতে আবার ওই সভ্যতার ধ্বংসের কারণও মানুষ। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও মানুষ অপার সম্ভাবনা নিয়ে জন্মায়, জয় করে নেয় সবকিছু। এই জয়ের পিছনে সব থেকে বড়ো
দিনশেষে বৃত্তেই বাঁধা থাকলো নারী
ক্যামেরাই যে তার জীবন শিল্পীর মনে থাকে সৃষ্টির নেশা; সেই নেশার টানে শিল্পী কখনো ছুটে যায় প্রকৃতির কাছে আবার কখনো জীবনের কাছে। সেসব জায়গা থেকে তুলে আনা বাস্তবতা তারা রূপ দেয় শিল্পকর্মে। কারো কারো শিল্পকর্মে অবশ্য বাস্তবতার চেয়ে বেশি কিছু থাকে। যা প্রচলিত শিল্পভাবনাকে
ভালবাসার শহর : সশস্ত্র যুদ্ধের সমান্তরালে জীবন-যুদ্ধের টানাপড়েন
শিল্পের জন্য যুদ্ধ আর যুদ্ধ নিয়ে শিল্প মানব মস্তিষ্ক ও তার চিন্তা অদ্ভুত একটা জগৎ। যদি প্রশ্ন করা হয়, মানবজীবনে স্বাধীনতা কোথায় থাকে? আমি বলবো, স্বাধীনতার অস্তিত্ব আছে শুধু মানুষের মস্তিষ্কে, চিন্তায়। শিল্পীমন সেই চিন্তার নান্দনিক প্রকাশের জন্য ব্যাকুল থাকে।
দ্য লাইভস অব আদারস : রাষ্ট্রের নয়, মানুষ ও ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ
যুদ্ধ কেনো হয়? স্থান, কালভেদে তার আলাদা কারণ থাকতেই পারে। কিন্তু যুদ্ধের শেষে যা হয়, তা এই গ্রহের সবখানে প্রায় একই। একবার বিজয়ী ও বিজিত নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ার পর পরিত্যক্ত সম্পদ অর্থাৎ গণিমতের মালের ভাগবাটোয়ারায় ব্যস্ত হয়ে পড়াই মানুষের আদিম প্রবৃত্তি। সেই একই প্রক্রিয়া
ঢাকা অ্যাটাক : অবিচ্ছিন্ন ঢাকায় বিচ্ছিন্ন অ্যাটাক
এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নয় সৃষ্টির পর থেকে পৃথিবীর অন্যতম আলোচনার বস্তু লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা চিত্রকর্ম মোনালিসা। মোনালিসার ওষ্ঠ কোণের রহস্যময় এক চিলতে হাসি নিয়ে তামাম দুনিয়ায় গভীর গভীর সব ব্যাখ্যা দাঁড়িয়েছে এবং এ নিয়ে যথারীতি পর্যবেক্ষণ চলছে।
বার্ডম্যান : নির্দিষ্ট ফরমুলায় ইনারিতুর টেস্টি স্যালাইন
তবু এই পৃথিবীর সব আলো একদিন নিভে গেলে পরে, পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন, মানুষ র’বে না আর, র’বে শুধু মানুষের স্বপ্ন তখনঃ সেই মুখ আর আমি র’বো সেই স্বপ্নের ভিতরে।১ ভালোলাগা দিয়ে শুরু মেক্সিকোর বিখ্যাত নির্মাতা আলজান্দ্রে গনজালেস ইনারিতু’র বার্ডম্যান
চলচ্চিত্রের ভাষা ও নির্মাণশৈলী
তারিখ : ১৯ মার্চ ২০১৮ স্থান : ১২৩, রবীন্দ্র কলাভবন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম পর্ব. সঞ্চালক-এক : শুভ সন্ধ্যা। আজ ১৯ মার্চ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ। ১৪২৪ বঙ্গাব্দের ৬ চৈত্র। উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা। কথামালা সঞ্চালনায় আছি আমি আনতারা সোনিয়া। সঞ্চালক-দুই : আমি
যৌনতার হাত ধরেই কি বাংলা ছবি সাবালক হবে?
নারী অভিনয়শিল্পীরা শরীরের কতোটুকু দেখাতে পারবে, কতোটুকু দেখালে ‘অশ্লীল’ হবে; আবার পুরুষ অভিনয়শিল্পীদের ক্ষেত্রে নিয়মের বালাই নেই কেনো-এই বিতর্ক দীর্ঘদিনের। তবে এই বিতর্ককে আরো জোরালো করে ছত্রাক (২০১১) নামের একটি চলচ্চিত্র। যার নির্মাতা শ্রীলঙ্কান বিমুক্তি
গ্রীসের পৌরাণিক কল্পনার আসরে যখন মিউজ দেবীরা দেখা দিলেন, তখন মানুষের জীবনের আসরে যে-সব বিদ্যা ও বিনোদক কলানুশীলন ছিল, তারা আজও আছে। মিউজ দেবীদের কেউ সঙ্গীতের কেউ নৃত্যের এবং কেউ বা নাটকের ভাগ্য প্রসন্ন করবার দায়িত্ব নিলেন। আধুনিক সমালোচনার আসরে এমন প্রশ্ন শোনা
ঋত্বিক বললেন, ‘তোর কথার জবাব আমি দেবো জাকী’
ফিল্ম ইন্সটিটিউট নিয়ে স্বচ্ছ কোনো ধারণা তখন আমার ছিলো না। এমনকি এ বস্তু গায়ে দেওয়ার জিনিস নাকি অন্য কিছু, এসবও তখন জানতাম না। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জয়া ভাঁদুড়ী, শবনমের মতো মানুষদের নাম শুনলাম। এরপর বাদল রহমান আর আমি ভারতের পুনে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট-এ
আমার মাথায় ফিল্ম ছাড়া অন্য কোনো সাবজেক্ট নাই
আগে থেকেই তার সঙ্গে কথা বলার সময় নির্ধারণ করা ছিলো। সন্ধ্যা ছয়টায় যখন হায়দার রিজভীর বাসায় পৌঁছাই, তখন তিনি মাগরিবের নামাজ পড়ছিলেন। বাসার তত্ত্বাবধায়ক আমাদের সেই ঘরেই নিয়ে যান। আমরা ঘরের এক পাশে থাকা সোফায় গিয়ে বসি। মেরুন রঙের টানা লম্বা সোফা; তার পাশেই একটা বইয়ের
চলচ্চিত্র নির্মাণে পারিপার্শ্বিক যা কিছু থাকে তা চলচ্চিত্রের বাইরেও একটা ভিন্ন গল্প বলে
চলচ্চিত্র কেবল চলচ্চিত্রই নয়; বরং কখনো তা হয়ে ওঠে এক সীমানাহীন শিল্পমাধ্যম। যে মাধ্যমে সমাজ, রাষ্ট্র তথা মানবিক জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত বিষয়গুলো নিগুঢ় রূপ লাভ করে। হয়তো এই মাহাত্ম্য উপলব্ধি করেই লেনিন চলচ্চিত্রকে শ্রেষ্ঠ শিল্পমাধ্যমের তকমা দিয়েছেন।
অভিমানী গুরু’র শিল্প সৃষ্টির তাড়না
নক্ষত্রের পতন এবং চলচ্চিত্র একদিকে যেমন বিনোদনের অফুরন্ত ভাণ্ডার, অন্যদিকে সমাজকে দেখার এক মোক্ষম হাতিয়ারও। চলচ্চিত্র কখনো প্রতিবাদের ভাষা শেখায়, আবার কখনো দু’চোখে স্বপ্ন ছড়িয়ে দেয়। এই সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রক্ষমতা বোঝার জন্য চলচ্চিত্রের
স্বল্প আয়োজনে চলচ্চিত্রের লোভনীয় সব কথা
নানা প্রসঙ্গেই একটা প্রবাদ চালু আছে¾ঘরের খেয়ে বনের মোষ (মহিষ) তাড়ানো। কিছু মানুষ সম্পর্কে খুব সহজেই এই প্রবাদটি ব্যবহার করেন ‘বড়োরা’। কিন্তু আশঙ্কার কথা হলো, দিন দিন এই বনের মহিষ তাড়ানো লোকের সংখ্যা সমাজ থেকে কমে যাচ্ছে। যদিও ‘বড়োদের’ কথায় এটা মোটেও আশঙ্কা নয়, বরং তাতে
সন্ত্রাসবাদের পূর্বশর্ত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা একেক দেশে একেক রকম
সাক্ষাৎকারের দিন সকাল ১০টার দিকে যখন আ-আল মামুনের চেম্বারে পৌঁছালাম, তখন মনে হলো বেশকিছু সময় ধরেই তিনি অপেক্ষা করছিলেন। তাই সামান্য কুশল বিনিময়ের পরেই রেকর্ডার চালু করতে হলো¾ ‘এবার আমরা শুরু করতে পারি?’ মামুন বললেন, ‘তুমি তো খুব ফরমাল ইন্টারভিউ নিচ্ছো দেখছি। তার
প্রতিবেদক ও প্রতিবেদন, একে অন্য পরিপূরক
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবিসম্প্রচার সাংবাদিকতা নিয়ে ম্যাজিক লণ্ঠন-এর ধারাবাহিক আলোচনার শুরুটা ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই, সংখ্যা ৯ থেকে। গেলো কয়েক বছরে একে একে প্রকাশ হয়েছে ব্রেকিং নিউজ, পি টি সি, লাইভের ভিতর বাহির, টিকার বা স্ক্রল, অনুসন্ধানী সংবাদিকতা, আউট অব ভিশন নিয়ে