১৩তম সংখ্যা, জুলাই ২০১৭
ভাইদা’র 'কাতিন' : একবিংশ শতকে গণহত্যা নিয়ে ঠাণ্ডা লড়াই
ভাইদা’র চলচ্চিত্র বলয় ও কাতিন সৃষ্টিকর্তা চলচ্চিত্রনির্মাতাদের দু’ধরনের চোখ দিয়েছেন; এর একটি ক্যামেরায় রাখতে, অন্যটি তার চারপাশে নজর রাখতে কথাটি পোলিশ নির্মাতা আন্দ্রে ভাইদা’র।১ এজন্যই হয়তো নিজের চোখ দুটোর যথাযথ ব্যবহার করেছিলেন ভাইদা। তার ফল অবশ্য পাওয়া
আলাপচারিতা : 'যেকোনো চরিত্রের চাহিদামতো আমরা, আমাদের চেহারা বদলে ফেলতে পারি'
খুবই স্বল্প স্মৃতি ধারণের শক্তি মহাকালের? না হলে কেনো সবাইকে সে মনে রাখতে পারে না, নাকি সবাইকে মনে রাখার তাগিদ তার নেই! কে এই মহাকাল, কী এই মহাকাল? মহাকাল আসলে সমগ্র পৃথিবীর মানুষের মনের গড়। তাই একদল মানুষেরই প্রতিনিধি ম্যাজিক লণ্ঠন’কে স্থির সিদ্ধান্ত নিতে দেখি
ওম পুরি, নাসিরউদ্দিন শাহ্ ও অনুপম খের ভূমিকা ও ভাব-ভাষান্তর : অনিক ইসলাম
পুরস্কার, তিরস্কার ও অন্যান্য স্বীকৃত ইতিহাস অনুসারে ঠিক কবে থেকে মানবসমাজে পুরস্কারের প্রবর্তন শুরু হয়েছে তার উল্লেখ পাওয়া যায় না। তবে বিভিন্ন ধর্মীয় মিথ থেকে জানা যায়, সৃষ্টির শুরু থেকেই এর প্রচলন রয়েছে। স্রষ্টা তার সৃষ্টির উপাসনায় খুশি হয়ে বিভিন্ন সময়ে অনন্ত
চলচ্চিত্র স্টুডিও : পুঁজির তোড়ে চলচ্চিত্রে ‘জোয়ারভাটা’
স্টুডিও থেকে চলচ্চিত্র স্টুডিও দুই পাশে লাইট। আকারানুযায়ী এ লাইটের প্রখরতাও ভিন্ন। সামনে হরেক রকমের দৃশ্য। ফুল, পাখি, নদী, সমুদ্র, সূর্যাস্ত- কোনোটি রঙ তুলির আঁচড়ে আঁকা আবার কোনোটি ক্যামেরায় তোলা স্থিরচিত্র। চাইলেই সেই নদী, সূর্য কিংবা সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে
চলচ্চিত্রের পরিবেশনায় বুদ্ধিবৃত্তিক শূন্যতা এবং উত্তরণের সম্ভাব্য উপায়
চলচ্চিত্রের পরিবেশনা এবং অন্যান্য লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের কথা আমরা অনেকেই জানি। তারা চলমান চিত্রের উদ্ভাবক। শুরুর দিকে চলমান চিত্র শুধু চলমানই ছিলো; সেখানে সেই অর্থে কোনো গল্প, বিনোদন, তথ্য সরবরাহের ব্যাপার ছিলো না। এই চলমান চিত্র সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেও পরিবর্তিত
ধারাবাহিক পাঠ : চলচ্চিত্রের কথা
পর্ব ৩ প্রারম্ভিক চলচ্চিত্রে প্রাচীনতার (অ্যান্টিকুইটি) কালগত বিস্তার পশ্চিমা বিশ্বের মিশর, মেসোপটেমিয়া, গ্রিস, রোম ছাড়াও পরবর্তী সময়ের ঐতিহাসিক, ধর্মীয়, পৌরাণিক কাহিনিগুলোকে আশ্রয় করে গড়ে ওঠে। বাইবেলভিত্তিক কাহিনি অবলম্বনের উদাহরণ তো আছেই। উল্লেখ্য যে, হলিউডের
জাতীয়তাবাদের মোড়কে ক্ষমতাবানের জয়গানে জহির
‘তুমি লিখিবে, আমি লিখিব’ যেকোনো জাতি-গোষ্ঠী-ধারা-বিষয়েরই ভিত্তি তার ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি; স্বাভাবিকভাবে শিল্পমাধ্যম হিসেবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। যদিও চলচ্চিত্রের ইতিহাস মোটেও পুরনো নয়; লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় চলচ্চিত্র উদ্ভাবনের অল্প সময়ের
উল্টো স্রোতে লেস্টার জেমস-এর লঙ্কা সাগর পাড়ি
‘আলো যে যায় রে দেখা’ অবারিত নীল সাগরের মাঝখানে গল্পের মতো সবুজ দ্বীপ শ্রীলঙ্কা। পুরাণে তার দেখা মেলে রাবণের সোনার লঙ্কা হিসেবে। বাল্মীকির রামায়ণের সোনার লঙ্কা প্রকৃতপক্ষেই ছিলো স্বর্ণের তৈরি; সেখানে লঙ্কাকে উপস্থাপন করা হয় স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন হিসেবে। পুরাণের
ধারাবাহিক পাঠ : সিনেমা দেখার গল্প
কিস্তি ১ সিনেমা দেখার স্মৃতি নিয়ে লিখতে বলা হয়েছে। যে স্মৃতি একান্তই আমার। যদিও কোনো কিছুই একান্ত নিজের বলে থাকে না; সেখানে নানা জন, নানা সময়ে উঁকি মারে। তার পরও না চাইলেও তাকে আমি আগলে রেখেছি, আপন করে কিংবা রাখতে হয়েছে। দৃশ্যত জন্মের আগের কোনো স্মৃতি আমার নেই। মৃত্যুর
ধারাবাহিক পাঠ : রাজশাহীতে চলচ্চিত্রযাত্রা ইতিহাসের সেকাল-একাল
দ্বিতীয় কিস্তি এখানে আরেকটি কথা যুক্ত করা দরকার, তা হলো রাজশাহীতে চলচ্চিত্রের যাত্রাপথে নাট্যকর্মীদের অবদান। যদিও গোটা বিশ্বেই শুরু থেকে চলচ্চিত্রের সঙ্গে নাট্যকর্মীদের একটা সম্পৃক্ততা ছিলো। কিন্তু এখানে আলাদাভাবে উল্লেখ করা এ কারণে যে, রাজশাহীর চলচ্চিত্রের
দর্শক-কথা : ‘নছিমন’-এর সেই কাল এবং আমাদের না বলা কষ্ট
বর্ষাকাল। সারাদিন ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। খুব জরুরি কাজ না থাকলে এই সময় লোকজন সাধারণত ঘর থেকে বের হতে চায় না। সেটা ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি। আমাদের উপজেলায় (কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী) তখনো তিন-তিনটা সিনেমাহল। যেটাতে নসিমন চলছিলো, ওইটাতে ভিড় বেশি। নসিমন টানা ছয়
এই লেখা যখন শুরু করবো-করবো ভাব; তখন দেশে সাহিত্যিক কাসেম বিন আবু বাকারকে নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বস্তুর অস্তিত্বের মতোই বাস্তবতা হলো, বাজারে এই লেখকের শতাধিক বই আছে এবং তার পাঠক সংখ্যাও নেহাত কম নয়। সমালোচকদের একদল মানতেই পারছে না, কেনো ইসলামি মূল্যধারা
বহির্গমন ও দেহব্যবসার চালচিত্রে ‘অজ্ঞাতনামা’দের অনিশ্চয়তা
অবৈধ বহির্গমনের ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র অজ্ঞাতনামা (২০১৬)। তৌকির আহমেদ পরিচালিত ফরিদুর রেজা সাগরের প্রযোজনায় রাষ্ট্রীয় নৈতিকতার বার্তাবাহী প্রতিবেদন ও সংবাদ পরিবেশনাধর্মী এই চিত্রনাট্য গণসচেতনতা সৃষ্টিতে সচেষ্ট।
লৈঙ্গিক ও স্থানিক রাজনীতির ঘেরাটোপে ঋতুপর্ণের ‘চিত্রাঙ্গদা’
ঋতুর চিত্রাঙ্গদা দেখেছিলাম কয়েক বছর আগেই। তখন থেকেই চলচ্চিত্রটি ভাবনার মধ্যে অনেকখানি জায়গা করে নিয়েছিলো। ছোটো-বড়ো অনেক ভাবনা, বোধের জায়গা, একটা টেক্সটে তুলে আনার চেষ্টা করেছেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। তবে চলচ্চিত্রটিকে রবীন্দ্রনাথের গীতি-নৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’র বিনির্মাণ
পিঙ্ক : রাষ্ট্র ও ক্ষমতার নগ্ন চরিত্রের আড়ালে আবেগীয় নারী-বন্দনা
সামাজিক চেহারায় নারী ‘ধূসর কঙ্কাল’ নারী নিয়ে ভালো-মন্দ যাই বলি না কেনো, অনেকের মনে হতে পারে, এতো কথার দরকার কী? এ তো বহুকাল ধরেই শুনে আসছি। এতো প্রচার, আন্দোলনের পরও নারীর প্রতি বৈষম্য কিন্তু এখনো দূর হয়নি। বাহ্যিক চেহারায় হয়তো কিছু পরিবর্তন এসেছে। একবিংশ শতাব্দীতে
‘তারে জামিন পার’ : চলচ্চিত্রে যোগাযোগ ও মনোবৈকল্যের রূপায়ণ
ভূমিকা যোগাযোগ ও গণমাধ্যম বিষয়ক গবেষণার ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও মনোবৈকল্য বর্তমান বিশ্বে খুবই আলোচিত বিষয়। অথচ এ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা খুবই সামান্য। সচেতনতা তো নেই বরং ভ্রান্তি ও কুসংস্কারের মাত্রাই বেশি। পর্যাপ্ত ধারণা ও সচেতনতার অভাবে মানসিক রোগে আক্রান্ত
আই অ্যাম নজুম, এজ টেন অ্যান্ড ডিভোর্সড : বৃত্তে বন্দি জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প
সিনেমাটা বাস্তব, কিন্তু গল্পটা সত্য সারাদেশে ভয়ঙ্কর অস্থিরতা, আতঙ্ক-কখন কার কী হয়, বলা মুশকিল! প্রতিক্ষণে লড়াই চলছে সরকারি ও বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে; নিহত হচ্ছে নারী-পুরুষ, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ। আর যে মুসলিম বিশ্ব গাজায় ইসরাইল
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ব্রেড অ্যান্ড অ্যালি’ : সরু গলিতে জীবন দেখা
প্রাণের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক আত্মিক। কারণ প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য যেকোনো উপায়েই খাবারের প্রয়োজন। তাই ক্ষুধা প্রাণীর জৈবিক সত্তার অংশ। আদিম যুগে মানুষ ও পশুর মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য ছিলো না। টিকে থাকার জন্য এরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে সংগ্রামটা চালিয়ে
‘শহিদ’ : কেবল রূপালি পর্দার নায়ক নন
হঠাৎ করে বোমা হামলা। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, অসংখ্য হতাহত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ক্লু খুঁজে পাচ্ছে না। সরকার থেকে চাপ আসছে, তদন্তের দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে হবে। হঠাৎই কয়েকজন গ্রেপ্তার। তারা হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করে। কিন্তু গ্রেপ্তারকৃত
পারফেক্ট স্ট্রেঞ্জার্স : প্রযুক্তির কাছে ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদের পরাজয়
গল্পটি অচেনা মানুষদের নয়! রোজকার জীবনের ঘনিষ্ঠ ক’জন বন্ধুর একটি সান্ধ্য আড্ডাই এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য। তাহলে প্রশ্ন জাগতেই পারে, কেনো পারফেক্ট স্ট্রেঞ্জার্স! নির্মাতাও আসলে আমাদেরকে এই প্রশ্নের মুখোমুখিই করতে চেয়েছেন। প্রতিদিনের চেনা মুখগুলো কতোটা
চতুর গৌতমের অলীক বাংলা-প্রেম নিয়ে ‘শঙ্খচিল’
ক্ষত আর শুকায় না সবাই সবার মতো গুছিয়ে নিয়েছে, নতুন করে সংসার পেতেছে পুরনো শালিক। কোথাও যেনো আর কোনো ক্ষত নেই, সব খেয়ে ফেলেছে ইতিহাস। এমন একসময় প্রশ্ন জাগে মনে, আসলেই কি সব ক্ষত মুছে ফেলা যায়, কালের কালিমা দিয়ে লুকানো যায় সব দাগ? সবাই সবার মতো সবকিছু গুছিয়ে নিলেও অগোছালো
বরের আশায় বন্দনা, অস্কারের টোপে ‘ইডা’
সেদিন বরষা ঝরঝর ঝরে কহিল কবির স্ত্রী ... গাঁথিছ ছন্দ দীর্ঘ হ্রস্ব ... মাথা ও মুণ্ড, ছাই ও ভস্ম, মিলিবে কি তাহে হস্তী অশ্ব না মিলে শস্যকণা। ... ওগো, ফেলে দাও পুঁথি ও লেখনী, যা করিতে হয় করহ এখনি। এতো শিখিয়াছ এটুকু শেখ নি কিসে কড়ি আসে দুটো!’ ... উচাটন কবি কহিল, ‘অমন যেয়ো
কথামালা ৬ ১২৩, রবীন্দ্র কলাভবন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২৯ মার্চ ২০১৭ বিকেল সাড়ে চারটা সঞ্চালক-১ : যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে,
আমার মনে হয় না, সৃজিতও আমায় আর কাজ করতে ডাকবে
বাংলা গানের জীবন্ত এক কিংবদন্তির নাম কবীর সুমন। সুমনের গান নিজেই তার পরিচয়। তার সমসাময়িক খুব কম শিল্পীই আছে, যারা সময়কে সুমনের মতো এতো অসাধারণভাবে গানে ধরতে পেরেছে। শিকড়ের টানে শিকড়ের জন্য গান করে চলেছেন সুমন। কবীর সুমন ভারতের ৬১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে
সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে সামাজিক প্রাসঙ্গিকতা ও সঙ্গীত
সত্যজিৎ রায় আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। রয়ে গেছে তাঁর সৃষ্টির সম্ভার। তাঁর অনন্য সৃষ্টি নিয়ে আলোচনা আজও চলছে। এখানে এই রচনার মধ্যে সত্যজিতের ছবি ও সঙ্গীত নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সত্যজিৎ রায়ের ছবির প্রাসঙ্গিকতা ও তাঁর সঙ্গীত চেতনা বিষয়টি যেমন অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ,
'এখনকার নির্মাতাদের খালি মগজটা নাই'
আগে থেকেই তার সঙ্গে কথা বলার সময় নির্ধারণ করা ছিলো। সন্ধ্যা ছয়টায় যখন হায়দার রিজভীর বাসায় পৌঁছাই, তখন তিনি মাগরিবের নামাজ পড়ছিলেন। বাসার তত্ত্বাবধায়ক আমাদের সেই ঘরেই নিয়ে যান। আমরা ঘরের এক পাশে থাকা সোফায় গিয়ে বসি। মেরুন রঙের টানা লম্বা সোফা; তার পাশেই একটা বইয়ের
‘বৃহৎ এই বিনোদন কারখানা চায়, কেবল একই ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ হোক’
প্রচলিত সমাজ বাস্তবতার মতো পুরুষ প্রাধান্যশীলতার ব্যাপক প্রভাব চলচ্চিত্রেও বিদ্যমান। এখন পর্যন্ত নির্মিত বিশ্বের অধিকাংশ চলচ্চিত্রই পুরুষ চরিত্রকেন্দ্রিক। ওই চরিত্রকে ধরেই চলচ্চিত্রের কাহিনি এগোয়। প্রয়োজনে নারীরা পর্দায় আসলেও তারা কাহিনির সঙ্গে কতোটা
'ট্যাক্সি ড্রাইভার' : পুঁজির ভয়ানক ছোবলের জীবন্ত সাক্ষী
বিশ্ব-অর্থনীতি গুটিকয়েক ব্যক্তির মুঠোয় বন্দি। বিশ্বের মোট সম্পদের প্রায় ৯৯ ভাগই তাদের মালিকানাধীন, বাকি একভাগ পুরো বিশ্ববাসীর। অর্থনীতির অভূতপূর্ব এ বৈষম্য কিন্তু একদিনে গড়ে ওঠেনি। যেদিন মানুষ উৎপাদন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, সেদিনই এর বিস্তার শুরু। এ উৎপাদন
‘দর্শকের মুখ’ : চলচ্চিত্রের প্রায়োগিক গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা
চলচ্চিত্রশিল্পে প্রধানত দুটি অংশ থাকে-একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে জড়িত; আরেকটি তার বিপণন, প্রদর্শন। প্রথম অংশে গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা, প্রযোজক ও কলাকুশলী; দ্বিতীয় অংশে পরিবেশক, প্রেক্ষাগৃহ ও দর্শক। চলচ্চিত্রের একশো ২০ বছরে এসে এ কথা বলতে দ্বিধা নেই, এটা পুঁজি
'প্রসঙ্গ সম্প্রচার সাংবাদিকতা' টিকার বা স্ক্রল : গুরুত্বপূর্ণ অথচ সবচেয়ে অবহেলিত
কোথায়, কী হচ্ছে-তাৎক্ষণিক জানতে অনেকের হাত চলে যায় টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোলে। সেসময় স্ক্রিনে হয়তো কোনো একটি সংবাদ সম্প্রচার হচ্ছে। শুরু থেকে না দেখায় পুরো সংবাদটি হয়তো আপনি জানতে পারেননি। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী খবর সম্প্রচার পর্যন্ত। কিন্তু এ সময় আপনি