Magic Lanthon

               

মাসুদ হাসান উজ্জ্বল

প্রকাশিত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:০০ মিনিট

অন্যকে জানাতে পারেন:

এক্সট্রাকশন

অন্যের নয়, আমাদের দীনতা-হীনতা

মাসুদ হাসান উজ্জ্বল


মিউজিক সুপারভাইজার হিসেবে দুই জনের নাম দেখতে পেলাম, মনিস রাভাল আর টম উলফ। আর মিউজিক ডিরেক্টরও দুই জন--হেনরী জ্যাকম্যান ও অ্যালেক্স বেলচার। নাম দেখেই বুঝতে পারছেন একজন মিউজিক সুপারভাইজার ভারতীয়। তিনি সম্ভবত মনে করেছেন, যাহাই মুম্বাই, তাহাই ঢাকা। এই কারণেই সম্ভবত ঢাকার ঘরে ঘরে হিন্দি গান শুনতে পেলাম! তাছাড়া ভারত সবসময় নিজেদেরকে আমাদের প্রভু জ্ঞান করতে চেয়েছে, তারা সবসময় ভেবে আনন্দ পায় আমরা তাদের ওপর সাংস্কৃতিকভাবে নির্ভরশীল এবং নিয়ন্ত্রিত। আর ‘নেটফ্লিক্স’ খুব সঙ্গত কারণেই ভারতকে খুশি রাখতে চাইবে, কারণ প্রায় দেড়শ কোটি জনগণের দেশের সাবস্ক্রিপশন বেইজকে সমীহ না করবার মতো বোকা তারা নয়!

বলছিলাম ২৪ এপ্রিল ২০২০-এ মুক্তি পাওয়া, অ্যাভেঞ্জারস ও ডেডপুল-এর মতো সুপারহিরো চলচ্চিত্রে স্টান্টম্যান হিসেবে কাজ করা স্যাম হারগ্রেভ নির্মিত এবং সুপারহিরো থর চরিত্রে অভিনয় করা ক্রিস হ্যামসওয়ার্থ অভিনীত ‘নেটফ্লিক্স’ অরিজিনাল এক্সট্রাকশন-এর কথা। এমনিতেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে চলচ্চিত্র আমি সমর্থন করি না, দেখিও না খুব একটা। মানুষ মানুষকে নির্দয়ভাবে মারছে, মানুষ মারার নানারকম প্রযুক্তি আর ফাঁদ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একটা সমাজকে নিষ্ঠুরতায় মানসিকভাবে অভ্যস্ত করার চলচ্চিত্রকে আমার কখনোই নিরীহ বিনোদন মনে হয় না। ফলে আমার এক্সট্রাকশন দেখার কথা নয়! কিন্তু এক রকম বাধ্য হয়ে দেখলাম দুটো কারণে--প্রথমত, ছবিটা আমাদের রাজধানী শহর ঢাকাকে কেন্দ্র করে; দ্বিতীয়ত, সাধারণ দর্শকের তীব্র সমালোচনার কারণ জানবার কৌতূহল। সব থেকে বড়ো কথা একজন সচেতন চলচ্চিত্রনির্মাতা হিসেবে চলচ্চিত্রের পিছনের রাজনীতি বোঝার চেষ্টা করাটাও আমার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে বলে আমি মনে করি।

এক্সট্রাকশন কেমন ছবি এটা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ বা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিশ্লেষণের আসলে সুযোগ নেই। অনন্তকাল ধরে ভূরিভূরি হলিউড বা বলিউড অ্যাকশন ছবিতে এ সমস্ত মারপিট আর উদ্ধারকার্য আমরা দেখে আসছি। বরং এখনকার তামিল বা কিছু হিন্দি অ্যাকশন ছবি এর থেকে অনেক উন্নত! তাহলে এক্সট্রাকশন নিয়ে কথা বলাটা কেনো জরুরি? জরুরি; কারণ বর্তমান সময়ে Cyber security, Digital Manipulation, Intention of the content নিয়ে না ভাবলে ভবিষ্যতে পস্তাতে হবে। End credit দেখে বুঝলাম যথারীতি অনেক গোছানো টিমওয়ার্ক, যা এই ধরনের ছবিতে অনিবার্য।

বিস্মিত হওয়ার মতো বিষয় হলো (যদিও আমি বাণিজ্যের রাজনীতি মোটামুটি বুঝি বলে বিস্মিত নই), ছবিটি ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করে (শুটিং যেখানেই হোক না কেনো, ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করে বানানো ছবি এটি) অথচ প্রোডাকশন ডিজাইনে ঢাকাকে কোনো ধর্তব্যের মধ্যেই রাখা হয়নি! প্রোডাকশন ডিজাইনার ফিল আইভি প্রয়োজনই বোধ করেননি ঢাকা শহর নিয়ে স্টাডি করার। আপনাদের কী মনে হয়, তিনি দুর্বল মানের প্রোডাকশন ডিজাইনার, ডিটেইলিংয়ে দুর্বল? ঈদের সময় আপনি যখন গৃহকর্মীর জন্য পোশাক কিনতে যান আপনি কি তার পছন্দ-অপছন্দের তোয়াক্কা করেন? আপনি আপনার ইচ্ছে-খুশি মতো পোশাক কিনে এনে তাকে বলেন--‘এটা পর।’ সুতরাং, সেই একই কারণে ঢাকা শহরের প্রোডাকশন ডিজাইন এই ছবিতে গুরুত্ব পায়নি, ভবিষ্যতেও পেতে যাচ্ছে না। বর্তমান বিশ্বে ব্যবসা হলো সংখ্যাতত্ত্বের জিনিস। সেই সংখ্যাতত্ত্বে আমরা হয়তো এখনো ধর্তব্যের মধ্যে পড়ি না।

এক্সট্রাকশন-এ থাইল্যান্ডে শুটিংয়ের জন্য আলাদা প্রোডাকশন টিম এবং ভারতে শুটিংয়ের জন্য আলাদা প্রোডাকশন টিম ছিলো। অথচ গল্প যে ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করে সেটির কোনো আলাদা প্রোডাকশন টিমই নাই! কারণ তুমি দরিদ্র রাষ্ট্র, তুমি যে দৃষ্টিতে তোমার দেশ বা শহরকে দেখো, তা আমাদের দেখবার বিষয় নয়, এখন থেকে আমরা যা দেখাবো, সেটাই তোমার দেশ বা শহরের বাস্তবতা! এই আমিটা হলো বিশ্বমোড়ল আমেরিকা! তার চোখে বাংলাদেশ যেমন সেটাই বাংলাদেশ! এটা কেবল চলচ্চিত্রে নয়, শিল্প-সাহিত্য সবখানে! অ্যান্ডি পার্কস, জো রুশো আর ফার্নান্দো লিও গঞ্জালেজ-এর কমিকবুক ‘সিউদাদ’ থেকে নেওয়া গল্পের চিত্রনাট্যকার জো রুশো, অনেক আগেই তাদের কমিকবুকে যে শহরটাকে Worst city on earth বলে রেখেছেন, সেটার জন্য প্রকৃষ্ট শহর হিসেবে ঢাকাকে বেছে নেওয়া হয়েছে! আপনারা এখনো এই সমস্ত ঔদ্ধত্য ধরতে পারেন না দেখে হতাশ লাগলো!

সোস্যাল মিডিয়ায় অনেককেই ক্ষুব্ধ মন্তব্য করতে দেখছি--‘এরপর ঢাকা শহরকে নিয়ে কিছু করলে ভালো মতো স্টাডি করে আসবেন।’ আপনার আসলেই মনে হয়েছে, এটা তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল বা দুর্বলতা! আপনারা কী কখনো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ‘নেটফ্লিক্স’ প্রোডাকশন টিউটোরিয়াল পড়ে দেখেছেন? তাহলে বুঝতেন অনিচ্ছাকৃত ভুল করবার কোনো সুযোগ সেখানে নেই! তাদের প্রতিটি প্রোডাকশনে অনেক দক্ষ রিসার্চ টিম থাকে। তারা স্রেফ বাংলাদেশকে ভারতের একটা অবহেলিত অশিক্ষিত প্রদেশ হিসেবে মূল্যায়ন করে কাজটা করেছে! নয়তো বাংলাদেশি টাকায় প্রায় পাঁচশো ৫২ কোটি টাকা বাজেটের ছবির মূল লোকেশনকে এতো হেলাফেলা করে দেখানোর কথা নয়। কই, ছবির মুম্বাই অংশে তো কোনো দুর্বলতা নেই! সেখানে তো সমৃদ্ধির কোনো অভাব নেই! যেই ঢাকার গুলশান বনানীতে ২২—২৫ বছরের তরুণরা খেলনার মতো জাগুয়ার, রেঞ্জরোভার বা ফেরারি চালায়, সেই ঢাকা শহর তো দেখতে পেলাম না, নিদেনপক্ষে এক্স করোলা!

আমি উগ্র জাতীয়তাবাদী নই, কিন্তু কারো জাতীয়তায় ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে আমি সেটার তীব্র নিন্দা জানাই, আর সেটা যদি আমার নিজের দেশের বিরুদ্ধে হয় তাহলে তো কোনো কথাই নাই!

ভাবতে পারেন ঢাকা শহরের একজন সন্ত্রাসীর এতো ক্ষমতা যে, সে চাইলেই পুরো শহর লকডাউন করে দিতে পারে! তার কথাতে র‌্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী ডেপ্লয় হয়! এবং একজন বিদেশি Mercenary একা এদেশের র‌্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী সবাইকে ধরাশায়ী করে ফেললো! এলিট ফোর্সের একজন বড়ো কর্মকর্তা একজন সন্ত্রাসীর কথা মতো উঠছে বসছে! এবং এই দেশের এলিট ফোর্সের বেহাল দশা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর জন্য সেই কর্মকর্তা সবসময় তার বিভাগের ইউনিফর্ম পরে সন্ত্রাসীর সামনে ভৃত্যের মতো আচরণ করছে!

এই চলচ্চিত্র আমাদের জল-স্থল-আকাশের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অস্ট্রেলিয়া থেকে একটা মার্সেনারি ট্রুপ বিনা বাঁধায় (পাসপোর্ট ভিসা ছাড়া) ভারী অস্ত্রশস্ত্র, চপার, গোলাবারুদ নিয়ে যা খুশি তাই করে চলে গেলো! এক ভারতীয় মাফিয়ার অপহরণ হওয়া সন্তানকে উদ্ধারের সন্ত্রাসী তৎপরতায় এদেশের সেনাবাহিনী পর্যন্ত নেমে গেলো! কী তামাশা, একজন ভারতীয় ব্যক্তির স্বার্থ বনাম একটি দেশের সার্বভৌমত্ব!

অথচ আমাদের সিনেমা বানাতে একটা ড্রোন উড়াতে হাজারটা অনুমতি লাগে; পুলিশের পোশাক পরিয়ে কোনো দৃশ্য তৈরি করতে গেলে পুরো চিত্রনাট্য জমা দিয়ে অনুমতি নিতে হয়! সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগে স্ক্রিপ্ট পড়ে দেখেন পুলিশকে কোথাও হেয় করা হয়েছে কি না, বা দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী কিছু আছে কি না, তার পরে অনুমতি মেলে! আমাদের সিনেমা বানাতে পদে পদে বাধা। ব্যক্তি পর্যায়ে কোনো আদর্শের বালাই নাই, কিন্তু সিনেমাতে সবকিছু নিষ্পাপ দেখানো চাই-ই চাই। ফলে এদেশের সিনেমার উন্নতির কোনো আশা আমি দেখি না।

এবার আসা যাক বাংলাদেশকে ধর্তব্যের মধ্যে না ফেললেও ‘নেটফ্লিক্স’ কেনো বাংলাদেশের ওপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্র নির্মাণ করলো, কেনোইবা বাংলাদেশেকে ন্যূনতম পাত্তা দিলো না! এদেশে ‘নেটফ্লিক্স’-এর সাবস্ক্রিপশন শুরু হয় ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে। এদেশে তাদের আনুমানিক দুই লাখ পেইড সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। যে সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিনা বিনিয়োগে বাংলাদেশ থেকে ‘নেটফ্লিক্সের’ বাৎসরিক আয় প্রায় ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা থেকে বাংলাদেশ সরকার এক টাকাও কর পাচ্ছে না! সুতরাং এদেশের প্রতি সঙ্গত কারণেই ‘নেটফ্লিক্সের’ মনোভাব ‘না চাহিলে যারে পাওয়া যায়’ এর মতো। আমি যদি বিনা বাধায় আপনার কাছ থেকে বছরে ২১ মিলিয়ন ডলার উপার্জন করতে পারি, তাহলে আপনাকে পাত্তা কেনো দিতে যাবো! অথচ এই দেশে আমরা যখন একটা সিনেমা বানাই, তখন সরকারকে এর সিংহভাগ আয়কর হিসেবে দিয়ে প্রযোজকের পকেটে টাকা যাওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকে না! এদেশে গল্প নির্বাচন হাজারটা ফিল্টার বসিয়ে করতে হয় সেন্সরশিপের ভয়ে। অথচ বাকি পৃথিবী সিনেমাতে স্বাধীনভাবে যা খুশি তাই করছে! তাছাড়া এদেশের দর্শকেরও দেশের সিনেমার প্রতি আগ্রহ নেই! কারণ খুব স্বল্পসংখ্যক মানসম্পন্ন সিনেমা এদেশে হয়ে থাকে। আর সুযোগ থাকলে দর্শক মানসম্পন্ন সিনেমাটাই বেছে নেবে, সেটাই স্বাভাবিক। তাই এই দেশে ‘নেটফ্লিক্স’ বা ‘অ্যামাজন’-এর জয়জয়কার!

যে কারণে ‘নেটফ্লিক্স’ ভারতে অফিস খোলে, ভারতীয়দের কর্মসংস্থান হয় এবং হিন্দি অরিজিনাল স (hindi original series) তৈরি হয়; সেই একই কারণে বাংলাদেশে তাদের একটি টাকা বিনিয়োগেরও দরকার পড়ে না! এমনকি বাংলা ভাষার অ্যাকসেন্টটাকেও গুরুত্ব দেওয়ার দরকার পড়ে না! বাংলাদেশি ভয়েস আর্টিস্টের পিছনে ২০ হাজার টাকা লগ্নি করতেও তারা রাজি নয়,Because this is a toll free country to them.

তথাপি ঢাকা শহর নিয়ে ‘নেটফ্লিক্স’ হঠাৎ এমন একটা ছবি বানালো যে--তারা নিশ্চিত ছিলো এখন যে সমালেচনা হচ্ছে সেটা হবে। হিসাব খুব পরিষ্কার, সমালোচনা যতো তীব্র হবে ওয়াচটাইম আর সাবস্ক্রিপশন দুটোই বাড়বে। এমন তো নয় বাংলাদেশের মানুষ এতোটাই সচেতন বা দেশপ্রেমিক যে দেশকে অপমানের অপরাধে দলে দলে ‘নেটফ্লিক্স’ আনসাবস্ক্রাইব করা শুরু করবে, আর সেটা কোনো বাস্তবসম্মত পদ্ধতিও নয়। যে সব নির্মাতা একটা মাঝারি গোছের বিদেশি গ্র্যান্টের লোভে দেশকে মৌলবাদী, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, হতদরিদ্র রাষ্ট্র হিসেবে রেপ্রিজেন্ট করতে দ্বিধা বোধ করে না, সাহস থাকে তো ভারত বা আমেরিকার কোনো দুর্বলতা উপস্থাপন করে ছবি বানিয়ে দেখাক তো তারা! এই আপনারাই বিদেশিদের নজরে আসার জন্য নিজের দেশকে যারপরনাই নীচে নামাতে দ্বিধা করেন নাই নিজের সিনেমাতে। সেদিনও এদেশের এক অভিনয়শিল্পী হলিউড অভিনয়শিল্পী Jared Leto সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে গিয়ে আহ্লাদে গদগদ হয়ে বলেই বসলো--বাংলাদেশ খুব ছোটো একটা দেশ তুমি হয়তো দেশটার নামই শোনোনি, ইন্ডিয়ার পাশের ছোট্ট একটা দেশ বাংলাদেশ! কী ভয়ানক মানসিক দীনতা!

এদেশের কোনো চলচ্চিত্র কান চলচ্চিত্র উৎসবের ডিরেক্টর’স ফোর্টনাইটে নির্বাচিত হলে ধন্যি ধন্যি করেছেন, কনটেন্টটা তো একবারও গভীরভাবে ভাববার প্রয়োজন বোধ করেন নাই! তো নিজেরাই সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রের নেক নজরে আসার জন্য নিজেদেরকে হেয় করেন আবার বিদেশিরা সেটা করলে বোকার মতো এটা তাদের নির্মাণ বা রিসার্চের দুর্বলতা বলে বসেন!

‘নেটফ্লিক্স’ যা চেয়েছে তাই পেরেছে। ভুলে যাবেন না, আপনার আমার এই দাসসুলভ মানসিকতার কারণেই ভারতবর্ষের টাকায় বৃটিশ সাম্রাজ্য দাঁড়িয়ে গেছে, তারা অবলীলায় দুইশো বছর আমাদেরকে শাসন করে গেছে। আর ‘নেটফ্লিক্স’ তো সামান্য ব্যবসা করতে এসেছে। বৃটিশরাও সামান্য ব্যবসা করতেই এসেছিলো এদেশে!

লেখক : মাসুদ হাসান উজ্জ্বল, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রনির্মাতা। ঊনপঞ্চাশ বাতাস নামে তার প্রথম কাহিনিচিত্র মুক্তির অপেক্ষায় আছে।

natarajbd@gmail.com

https://www.facebook.com/masud.ujjal

 বি.দ্র. এই প্রবন্ধটি ম্যাজিক লণ্ঠন ১৯তম সংখ্যা, জানুয়ারি ২০২০ এ প্রকাশিত হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন