Magic Lanthon

               

মিন্টু দে

প্রকাশিত ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:০০ মিনিট

অন্যকে জানাতে পারেন:

পাড়ে বসে ডুবসাঁতার দেখা

মিন্টু দে

দিনের শুরুতে রেললাইন পার হতে দেখা যায় একটি মেয়েকে। সে মধ্যবিত্ত পরিবারের পিতৃহীন মেয়ে রেনুকা; একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ছোটভাইতুল্য সহকর্মী অপুকে সঙ্গে নিয়ে সে মাদকাসক্তদের খোঁজখবর করতে বেরোয়; তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে। বাড়িতে অন্ধ বড়োভাই রোকন, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছোটভাই রায়হান এবং মাকে নিয়ে রেনুর সংসার। ইতিপূর্বে একবার বিয়ে হলেও স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তার। মাদকাসক্তদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে রেনুর পরিচয় হয় ইমরান সালেহ্‌র সঙ্গে। ক্রমে তারা একে অপরের কাছাকাছি আসতে শুরু করে। মেলামেশার ঘনিষ্ঠতায় মা হতে চলা রেনু এক সকালে মুখোমুখি হয় নির্মমতম এক সত্যের-আগের বৃষ্টির রাতে তাদেরই বাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনাক্রমে মহল্লার লোকদের গণপিটুনিতে মারা গেছে ইমরান। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত রেনু খানিকটা স্বস্তি পাবে এই আশায় তার মা তাকে পাঠিয়ে দেন কক্সবাজারে; বোনের মেয়ের কাছে। ডাক্তার রেনুকে পরামর্শ দেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে; গর্ভপাত অথবা গর্ভধারণের। পারিপার্শ্বের চাপে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় কামনায় রেনু দৌড়ে অগ্রসর হতে থাকে সমুদ্রের অনন্ত জলরাশির পানে। সাদাচোখে দেখলে এই হচ্ছে ডুবসাঁতার-এর সংক্ষিপ্ত কাহিনী।

আমাদের নিজেদের তৈরি সমাজব্যবস্থার পথ-ঘাটগুলো মসৃণ নয় বলেই এতোটা সাদাচোখে দেখে সংক্ষেপে ডুবসাঁতার দেখার কোনো উপায় নেই। যেখানে পানিতে না নেমেও আমাদেরকে ডুবতে হয়, একের ভুলের মাশুল দিতে হয় অন্যকে। সেখানে রেনুকে নিজের বোন বলে ভাবতে না পারলে নিজের সচেতনতার প্রতি অবিশ্বাস জন্মে, নিজেকে বড়ো বেশি অপরাধী মনে হয়। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এর ব্যানারে, ফরিদুর রেজা সাগরের প্রযোজনা এবং নূরুল আলম আতিকের পরিচালনায় ডুবসাঁতার দেখতে দেখতে তাই রেনুর সুখ-দুঃখের অনুভূতিগুলো আমাদের মাঝে সঞ্চারিত হয়। রেনুর কান্না আমাদের বিষণ্ন করে। আবার রেনুকে পুরোপুরি সমর্থন জোগাতে পারে না আমাদের সংস্কারাচ্ছন্ন মন। কারণ, বিবাহবহির্ভূত এক সম্পর্কের জের টেনে বেড়ায় রেনু। তাছাড়া, একজন মাদকাসক্তকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে তার প্রেমে পড়তে হবেই বা কেনো-এমন প্রশ্ন উঁকি দেয়। সান্ত্বনা খুঁজে ফিরি, ভালোবাসা কি আর হিসাব করে হয়?

বিনিসুতোর মালা মানুষ কেনো গাঁথে এ-প্রশ্ন অবান্তর। ‘আপনি মাদক নেন কেনো?’ রেনুর এ-প্রশ্নের জবাবে মাদকাসক্ত ইমরানের পাল্টা প্রশ্ন ‘আপনি ঘুমান কেনো?’ যেমন মোটেই বেমানান লাগে না; তেমনি স্বাভাবিক মনে হয় রেনু-ইমরানের সম্পর্ক। তবুও কথা থাকে। ‘দেহতরী ছেড়ে দিলাম...আমার আমিত্বের ভার তোমায় দিলাম...।’ এই নেপথ্য গানের সঙ্গে-সঙ্গে রেনু-ইমরানের কাছাকাছি আসার দৃশ্য রেনুর বিবেচনাবোধ নিয়ে প্রশ্ন জাগায়। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রেনু এতো তাড়াতাড়ি ইমরানের প্রেমে পড়ে গেলো! তার ‘আমিত্বের ভার’ নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ব কি ইমরানের আচরণে প্রকাশ পায়?

সব প্রশ্নের উত্তর কেই-বা পেয়েছে কবে? তবুও আমরা প্রশ্ন করার ভালোলাগা থেকে বঞ্চিত হতে চাই না। সরল, বিশ্বাসী এক ভালোবাসা বোধ হয় রেনুকে তাড়িত করে। তাই মাদকাসক্ত ইমরানকে ও-পথ থেকে সরাতে গিয়ে রেনু যখন বলে-‘তোমাকে এসব ছাড়তে হবে, তোমার জন্য আমার জন্য’; তখন অবচেতন মনেই রেনুকে আমরা সমর্থন জুগিয়ে চলি, আর শেষতক দুর্ঘটনার ওপর তো আমাদের কারোরই হাত নেই। ফলে ইমরানের মৃত্যু ঘটতেই পারে যেনো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রেনুকে যখন আমরা সাগরের ডাকে সাড়া দিতে দেখি, তখন অজান্তেই প্রশ্ন আসে যেনো কলঙ্কমুক্তির জন্যই রেনু ডুব মারতে যায়। তখনই আবার আমাদের মনের খুঁতখুঁতে অংশটি প্রশ্ন তোলে, ইমরানকে তাই বুঝি মরতেই হলো, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের দ্বারা একটি মেয়েকে মা-বানানোর অপরাধে! আর প্রেমের ‘খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে ডুবতে রাজি’ থাকা রেনু শেষ পর্যন্ত ডুবতে যেনো বাধ্য হয়। কিন্তু একেবারেই ডুবে যায় কি? সম্ভবত সেখানেই ছবিটির মূল মেসেজ। তাইতো রেনুর সাগরের ডাকে অগ্রসর হওয়ার পরপরই ছবিটির সমাপ্তি ঘটতে পারলেও তা হয় না। পর্দায় THE END লেখাটি ভেসে উঠেও সেটি NO END-এ রূপান্তরিত হয়। কারণ, শেষ পর্যন্ত এই রেনু বা এ-রকম রেনুকারা ডুবে ডুবে হলেও সাঁতরে চলে, সামলে চলে। আমরা NO END-এর পর আবার দেখতে পাই ‘নতুন’ রেনুকে, যে ছবিটির শুরুর দৃশ্যের মতোই কাজে বেরিয়েছে। ছোটবেলায় দেখা একটি আপাত-ভয়ঙ্কর কিন্তু আশাবাদী দৃশ্য মনে পড়ে তার। যেখানে একটি রাজহাঁস রেললাইনে থাকা অবস্থায় ট্রেন চলে আসলে হাঁসটি মাথা নিচু করে বাঁচার শেষ চেষ্টা করে এবং শেষ পর্যন্ত সফল হয়। চিরন্তন ইতিবাচক এই দৃশ্যটি মনে করেই ছবিটির শেষ দৃশ্যে ‘নতুন’ রেনু রেললাইন ধরে হেঁটে হেঁটে অগ্রসর হতে থাকে উদীয়মান সূর্যের ইশারায়, জীবনের পানে।

মধ্যবিত্তের প্রাত্যহিক-অনিবার্য সঙ্কট এবং বিশেষত সমাজ সংসারে নারীর অবস্থা ও অবস্থান-চিত্র সার্বিক বিচারে ডুবসাঁতার-এর অন্যতম মুখ্য ও মৌল বিষয়। এসব বিষয় ডুবসাঁতার-এর প্রয়োজনীয় পরিবেশটি গড়ে তোলে, ঘটনা-সংঘটনকে ভিত্তি দান করে। ফলে, নাস্তার টেবিলে কিংবা অন্যসময় রায়হানের ক্ষোভমিশ্রিত খেদোক্তি এবং প্রতিউত্তরে তার মায়ের মুখাবয়ব নিজের বাড়ির ঘটনার মতোই লাগে। নাস্তার টেবিলে রায়হানের কণ্ঠ, ‘তোমরা যে কী না একটা! কোন্‌ দুঃখে যে এইখানে জন্ম নিছিলাম আমি! রুটি আর আলুুভাজি খাওয়ার জন্য। জীবনে কোনোদিন কোনো বন্ধু-বান্ধবরে ডাকতে পারলাম না। কিচ্ছু করতে পারলাম না। সব ফকিরের গোষ্ঠী।’ কাহিনীক্রমে জানা যায়, রেনুর বিয়ে হয়েছিলো আসিফের সঙ্গে। কিন্তু সেই সংসার-সুখ (?!) রেনুর কপালে সইলো না! দুঃখ করে রেনুর মা বলে ‘ভালো পোলার লগে বিয়া দিলাম, সংসার করবার পারলো না। রূপের দেমাগ...।’ নারী হয়েও, মা হয়েও নিজের মেয়ের সম্পর্কে এভাবে বলতে বাধ্য হন তিনি, কারণ প্রতিপার্শ্ব আমাদের নারীর মনকে এ-ভাবেই গড়ে তোলে। তবুও হয়তো খানিকটা বিদ্রোহের ভাব জাগে, শেষ পর্যন্ত অবশ্য তা টিকে থাকে না। এটাও বোধ হয় অমোঘ নিয়তি। রেনুর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ফল নিয়ে চিন্তিত-দুঃখিত মা যখন বলে, ‘মানুষের কাছে মুখ দেখাবো কেমন কইরা’; তখন রেনু স্ব-তেজে উত্তর দেয় ‘মানুষ তোমারে খাওয়ায় না পড়ায়?’ রেনুর এই কথায় দ্র্রোহ আর আত্মবিশ্বাসের আগুন থাকলেও শেষাবধি সমাজের সমালোচনার পানিতে সেই আগুন দ্রুতই নিভে যেতে থাকে, নিভে যায়, নিভে যেতে বাধ্য হয়; যেমনটা যুগ-যুগ হয়ে এসেছে।

অভিনয়দক্ষতা প্রসঙ্গে ধরা যাক, বলা হলো এই ছবির শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে বেছে নিতে। ব্যাপারটা অগ্নিপরীক্ষার মতোই সহজ (!) নিঃসন্দেহে; রেনুকার চরিত্রে অভিনয় করা জয়া আহসান তুলনাহীন দুর্দান্ত করেছেন। কিন্তু রেনুকার মায়ের চরিত্রে ওয়াহিদা মল্লিক জলির অভিনয়কে কোনো বিচারেই অতুলনীয় বলার উপায় নেই। রেনুর অন্ধ বড়ো ভাই রোকনের চরিত্রে অশোক ব্যাপারী লা-জবাব; তেমনি রেনুর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছোটভাই রায়হানের ভূমিকায় শাহরিয়ার শুভ-চরিত্রের সঙ্গে মিশে গেছেন। মাদকাসক্ত ইমরানের চরিত্রে শেহজাদ চৌধুরীর বিকল্প মুখ মনে করা কষ্টসাধ্য, তার অভিনীত প্রতিটি দৃশ্যে তার শেহজাদ পরিচয়ের চেয়ে তাকে ইমরান বলে ভাবতেই সুবিধে হয়। ছোট চরিত্র হলেও রায়হানের বান্ধবী নীলার চরিত্রে শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি, রেনুর দুলাভাইয়ের চরিত্রে স্বাধীন খসরু নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য অভিনয় করেছেন। অন্যান্য ছোটখাটো চরিত্রগুলোও তাদের সর্বোচ্চ সেরা অভিনয়গুণে মনে দাগ কেটে যায়। সব ছাপিয়ে আলাদা করে মনে রাখতেই হবে, ভাত-চোর পাখির চরিত্রে দেবাংশু হোরের কথা। পর্দায় প্রতিটি দৃশ্য বলে-আজীবন ভাত চুরি ছাড়া দেবাংশু অন্যকাজ করেনি! কী করে পারেন দেবাংশু!

ডুবসাঁতার এর কিছু বিষয় অন্যরকম হলেও হতে পারতো। তাছাড়া কিছু দৃশ্যের কিছু অসঙ্গতি চোখ এড়িয়ে যেতে পারে না বোধ হয় কারোরই। যেমন (ক) রেনুর ছোটভাইতুল্য সহকর্মী অপুর সংলাপ (সম্ভবত) যে অন্যকাউকে দিয়ে যন্ত্রবৎ ডাবিং করানো হয়েছে তা কানে বেজেছে। কারণ বিদেশি সিনেমার বাংলা ডাবিং-এ সংলাপ যেমন শোনায়, অপুর সংলাপগুলো তার বাইরে যেতে পারেনি; প্রাণহীন, ভাঁড়ের সংলাপের মতোই মনে হয়েছে। (খ) রাতের এক দৃশ্যে; যেখানে রেনু তার অন্ধ বড়োভাইয়ের রুমে বসে গল্প করে, সেখানে কাহিনীক্রমে টেবিলে চড়ুই পাখির ডিমের খোসা পড়ে থাকে। সেই খোসাটিকে প্রথমে দেখা গেলো টেবিলের এক পাশে, একটু পরে দেখা গেলো-সেটি খানিকটা সরে গেছে। কিন্তু রেনু যে সেটি সরায়নি তাতো স্পষ্ট। কারণ আরও কিছু সময় পর সে খোসাটি লক্ষ করে হাতে তুলে নেয়। (গ) ভাত-চোর পাখি চরিত্রটি এই সিনেমার অন্যতম বাস্তবানুগ এক চরিত্র। কিন্তু এটি প্রায় আধপাগলা বোকা চোরের চরিত্র হলেও সবগুলো দৃশ্যে পাখিকে দেখা গেছে ক্লিনশেভ্‌ অবস্থায়। একটু যেনো দৃষ্টিকটু ও অসংলগ্নই লেগেছে। (ঘ) ছবির শুরু ও শেষে কলাকুশলীদের নাম ও অন্যান্য তথ্য দেখানো হলো। কিন্তু ইংরেজিতে কেনো? এটি একটি বাংলা সিনেমা, ইংরেজিতে নাম-ধাম দেখানোটা জরুরি হয়ে উঠলো কেনো? ইংরেজি না জানা দর্শকের কি ছবির কলাকুশলীদের সঙ্গে পরিচিত করানোর প্রয়োজনবোধ করেননি পরিচালক?

ভালোলাগা কিছু দৃশ্যের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ না করলেই নয়। ডুবসাঁতার-এ তেমন দৃশ্যের সংখ্যা অনেক। তারই দু-একটি (ক) তোমার খোলা হাওয়ায়... এই নেপথ্য গীতের সঙ্গে হলুদ সালোয়ারকামিজে রেনুকে আমরা ছাদের উপর দেখি। জোরে বাতাস বইছে, আকাশ মেঘলা। সেই মেঘলা আকাশসমেত দৃশ্যটি অনেক বেশি দৃষ্টি-সুখদায়ক। বারবার দেখার মতোই দৃশ্য। (খ) সেই দৃশ্য, যেখানে রাজহাঁসটি চলন্ত ট্রেনের নিচে পড়েও বসে থেকে নিজেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়। কাটাকুটি না করে দৃশ্যটি যেভাবে টানা দেখানো হয়েছে, তাতে কয়েক মুহূর্ত রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষায় থাকতে হয়। (গ) এক বৃষ্টির রাতে ভুলক্রমে গণপিটুনিতে ইমরান নিহত হয়েছে। রাত শেষ হলে বৃষ্টি থামেনি তখনও। সকালের প্রথম দৃশ্যে গাছের পাতা চুইয়ে পড়া পানির ফোটাগুলোর মাটিতে পড়ার দৃশ্য চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে, খুবই চমৎকারভাবে। দৃশ্যটি যেনো, রেনুকে চোখের পানিতে ভাসতে হবে এমন অনাগত জীবনের শুরুটাকেই ইঙ্গিতে প্রকাশ করেছে। (ঘ) রেনু তখন নৌকায়। ইমরানের মৃত্যু, অনাগত সন্তান-এসব নিয়ে ভাবিত অসহায় রেনুর মানসিক অবস্থার প্রকাশেই নেপথ্য-গীত হিসেবে বেজে চলেছে ‘কেনো পিরীতি বাড়াইলা রে বন্ধু...’ গানটি। তখন একটি দৃশ্যে রেনু নৌকা থেকে ঝুঁকে হাতে জল ছুঁয়ে-ছুঁয়ে সেই শীতল পবিত্র হাতটি নিজের পেটে ছোঁয়ায়। যেনো সে নিজের ‘ভবিষ্যৎ’কে সান্ত্বনা দিতে চায়, নিশ্চিত এক নির্ভরতার পরশ বুলানোয় সচেষ্ট হয়।

ডুবসাঁতার শব্দটির ইংরেজি করা হয়েছে In the deep। সম্ভবত এরচেয়ে ব্যঞ্জনাবহ কোনো ইংরেজি বেছে নেওয়া যেতো। তবে আমাদের জীবনের গভীরে (deep-এ) পরিচালক আতিক তার কলাকুশলীদের নিয়ে দক্ষতার সঙ্গেই ‘ডুব’ দিতে পেরেছেন, সম্ভাবনা ও আশাবাদের ‘সাঁতার’ কাটতে পেরেছেন, এটা নির্দ্বিধায় বলা যেতে পারে। চলুন ডুবসাঁতার-এ যাই।

 

লেখক : মিন্টু দে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের একজন এমফিল গবেষক; পাশাপাশি ছোটকাগজ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

monjir55@gmail.com  


বি. দ্র. এ প্রবন্ধটি ২০১৩ সালের জুলাইয়ের ম্যাজিক লণ্ঠনের তৃতীয় সংখ্যায় প্রথম প্রকাশ করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন